মাগুরার জমে উঠছে কাঠাল বাজার


মাগুরা প্রতিনিধি:উৎপাদনকারী অঞ্চলগুলোর মধ্যে মাগুরা জেলা অন্যতম। এখানকার প্রতিটি হাটে ১০ থেকে ১৫ ট্রাক কাঠাল যায় দেশের বিভিন্ন জেলায়।আগের দিনে বেপারী আড়ৎদার ও পাইকারীরা ভিড় জমান এখানকার হাট বাজারে।করোনাভাইরাসের কারনে কাঠালের ভাল দাম না পেলেও বর্তমানে গৃহস্থ ও কাঠালব্যবসায়ী চাষীরা ভাল দাম পাচ্ছেন।জেলার সব চেয়ে বড় হাট মাগুরা নতুন বাজার, শক্রুজিৎপুর, বিনোদপুর, আড়পাড়া, মঘির হাট,ভাবনহাটি,লাঙ্গলবাধ,জগদল,কাটাখালি,বেরইল হাট। মাগুরা সদরের কাটাখালি হাটে বিক্রি করতে আসা ছয়চার গ্রামের তফসির মোল্যা জনান,তার ১৫টি কাঠাল গাছ রয়েছে।ফলন ভাল হয়েছে।তার গাছে প্রতি ১০০পিচ কাঠাল ৫০০০ টাকা বিক্রি হয়েছে বলে জানান।কাঠাল ব্যবসায়ী বড়খড়ি গ্রামের আবু সুফিয়ান জানান,এবার প্রতি ১০০পিচ কাঠাল সাইজ অনুসারে ২০০০ থেকে ১৩০০০ টাকা পর্জন্ত বিক্রি হচ্ছে। মাগুরা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু তালহা জানান,এবার উপজেলায় কাঠাল চাষীর হিসাব না থাকলেও ভাল ফলন হয়েছে। কাঠাল চাষীরা বিভিন্ন সময়ে পরামর্শ নিয়েছে কাঠালের বিষয়ে ২০০ থেকে ৩০০জন চাষী সাড়ে তিনশ হেক্টর জমিতে কাঠালের চাষ করেছে।এসব তথ্যমতে ৫০ হাজার টন কাঠাল উঠতে পারে।গত বছরের তুলনায় এবার কাঠালের ফলন ভাল হয়েছে।পাইকারী বাজারে কাঠাল করোনাভাইরাসের প্রভাবে কম দাম হলেও বিক্রি ভাল হচ্ছে।
আরেক জন কাঠাল ব্যাপারী আজমত হোসেন জানান,মাগুরার হাটে পার্শবর্তি ফরিদপুর গোপালগঞ্জ,টেকেরহাট,কুষ্টিয়া,বরিশাল থেকে ব্যপারীরা কাঠাল কিনতে আসতেন।বর্তমানে করোনাভাইরাসের কারনে আগের মত ব্যাপারীরা আসেননা। পাইকারী বাজারে শতকরা ২০ ভাগ থেকে ৩০ ভাগ দাম কম এবং ব্যবসায়ীদের দাবী সরকারী বেসরকারী ভাবে কাঠাল সংরক্ষনের ব্যবস্থা করা হোক বলে জানান ।

     এ জাতীয় আরো খবর..

আমাদের পত্রিকায় আপনাকে স্বাগতম

লাইভ ভিডিটর

17
Live visitors

সংবাদ খুজছেন… নিচের বক্সে শিরোনাম লিখুন