পাকা ধান পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার

মো: একরামুল হক মুন্সী:
মাঠে পাকা ধান। বর্ষা কাল আসন্ন। নদী খনন, স্লুইজগেট নির্মাণ কাজও চলছে। বৃষ্টি-জলাবদ্ধতায় কৃষকের সোনার ফসল পাকা বোরো ধান ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে! এই খবর পেয়ে রবিবার বিকেলে বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মোঃ মামুনুর রশীদ ও পুলিশ সুপার পঙ্কজ চন্দ্র রায় ছুটে এসেছিলেন চিতলমারী উপজেলার দুর্গম গ্রামে।
তাঁরা সদর ইউনিয়নের রায়গ্রাম, খিলিগাতী, ডুমুরিয়া সহ কয়েকটি গ্রামের ধান ক্ষেত পরিদর্শন করেন। এসময় তাঁরা কৃষকসহ স্থানীয় বাসিন্দা, জনপ্রতিনিধি ও উপজেলা প্রশাসনের সাথে কথা বলেন। কৃষক যাতে সঠিকভাবে পাকা ধান ঘরে তুলতে পারে সে বিষয়ে তাঁরা পরামর্শ দেন।
চিতলমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ঋতুরাজ সরকার জানান, একদিকে বোরো ধান পেকেছে। অপরদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের খাল খনন ও স্লুইজগেট নির্মাণ কাজের জন্য মাঠের সাথে সংযোগ খালগুলোতে বাধ দেয়া রয়েছে। এই অবস্থায় বৃষ্টি হলে পাকা ধান ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার আশংকা রয়েছে। বিষয়টি জেনে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আজ এলাকা পরিদর্শন করেন।
রায়গ্রাম স্লুইজগেট এলাকা পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক মোঃ মামুনুর রশীদ বলেন, ‘আমাদের নোটিশে এসেছে- এখানে তিন হাজার হেক্টর জমিতে যে পাকা বোরো ধান আছে, তা বৃষ্টি হলে পানি জমে নষ্ট হতে পারে। কোন অবস্থাতে যাতে কৃষকের কষ্টার্জিত ফসল বিনষ্ট না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্কতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে।’
পুলিশ সুপার পঙ্কজ চন্দ্র রায় বলেন, ‘মাঠে পাকা ধান। বর্ষা কাল আসন্ন। নদী খনন কাজও চলছে। কৃষক যাতে ফসল সঠিকভাবে ঘরে তুলতে পারে, সে ব্যাপারে পানি উন্নয়ন বোর্ড সহ সবাই কৃষকদের সাহায্য করবো।’
রবিবার বিকেল তিনটা হতে চারটা পর্যন্ত এলাকা পরিদর্শনকালে আরো উপস্থিত ছিলেন, চিতলমারী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অশোক কুমার বড়াল, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মারুফুল আলম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পীযূষ কান্তি রায়, সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ নিজাম উদ্দীন সেখ প্রমূখ। #
ছবি ক্যাপশান:
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় বোরো ধান বাঁচাতে রবিবার বিকেলে কৃষকের মাঠে ছুটে যান জেলা প্রশাসক মোঃ মামুনুর রশীদ, পুলিশ সুপার পঙ্কজ চন্দ্র রায় সহ জনপ্রতিনিধি ও কর্মকর্তাগণ।

     এ জাতীয় আরো খবর..

আমাদের পত্রিকায় আপনাকে স্বাগতম

সংবাদ খুজছেন… নিচের বক্সে শিরোনাম লিখুন