চিতলমারী পল্লীবিদ্যুৎ এজিএম’র বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

মো: একরামুল হক মুন্সী: বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলা পল্লীবিদ্যুত অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার কাওসার আহম্মেদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। উপজেলার শ্যামপাড়া গ্রামের নেয়ামত আলী মীর ২জুন মঙ্গলবার দুপুরে এ অভিযোগটি দায়ের করেন। ওই ম্যানেজারের অনিয়মের বিষয়টি তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছে এলাকার ভূক্তভোগী মহল।
অভিযোগপত্র ও এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার কাওসার আহম্মেদ চিতলমারীতে যোগদানের পর থেকে গ্রাহকদের কাছ থেকে নানা ভাবে প্রতিমাসে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আদায় করে আসছে। পাশাপাশি গ্রাহকদের সাথে অসৌজন্য মূলক আচরণ ও বিদ্যুৎ লাইন বিছিন্ন করার ভয় দেখিয়ে নানা ভাবে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। গত কয়েক মাস ধরে একের পর এক ভূতুরে বিদ্যুৎ বিলের চাপে দিশেহারা গ্রাহকরা। এ অবস্থায় করোনার সংকটকালে বিদ্যুৎ অফিসের সীমাহীন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে তদন্ত পূর্বক কঠোর ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানিয়েছেন এলাকার ভুক্তভোগী মহল।
উপজেলার মচন্দপুর গ্রামের টেলিটকের বিদ্যুৎবিল রিটেইলার মো. মাহামুদুল হাসান ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, বিদ্যুৎ অফিসের সীমাহীন অনিয়ম-দুর্নীতিতে এখন গ্রাহকরা দিশেহারা। অনলাইনে বিদ্যুৎবিল গ্রহণে চরম প্রতারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি গ্রামের সাধারণ মানুষের চোখে ধূলো দিয়ে অফিসের লোকজন মিটার রিডিং আনতে গ্রাহকদের বাড়িতে না গিয়ে অনুমান নির্ভর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল তৈরির মাধ্যমে জনগণের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। যেন বিষয়টি দেখার কেউ নেই।
পল্লীবিদ্যুত অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার কাওসার আহম্মেদের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।
বাগেরহাট পল্লী বিদ্যুতের জেনারেল ম্যানেজার মো. জাকির হোসেন জানান, করোনার কারণে সঠিক ভাবে অনেক স্থানে বিদুুৎ বিল নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি। বিদ্যুৎবিল সংক্রান্ত কারো কোন অভিযোগ থাকলে অফিসে জানালে সমাধান করে দেওয়া হবে বলে অভিমত প্রকাশ করেন তিনি।
চিতলমারীর থানার ওসি মীর শরিফুল হক জানান, এ ব্যাপারে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। বিষয়টি তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

     এ জাতীয় আরো খবর..

আমাদের পত্রিকায় আপনাকে স্বাগতম

সংবাদ খুজছেন… নিচের বক্সে শিরোনাম লিখুন