চিতলমারীতে ‘অবাধে বিক্রি হচ্ছে রাক্ষুসে পিরানহা.?’

বাবলু মন্ডল, বিশেষ প্রতিনিধি –
পিরানহার পোনা উৎপাদন, চাষ, বংশ বৃদ্ধিকরণ, ক্রয়-বিক্রয়ের সরকারী নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় অবাদে বিক্রি হচ্ছে পিরানহা । করোনার চলতি ক্রান্তিকালের স্বাস্থ্য বিধি-নিষেধও তারা মানছে না। নিষিদ্ধ ‘পিরানহা’কে দেশীয় সুস্বাদু রূপচাঁদা মাছ বলে বিক্রি করা হচ্ছে উপজেলার গ্রামে গ্রামে। এটি রাক্ষুসে স্বভাবের মাছ হিসেবে পরিচিত এবং বাংলাদেশের পরিবেশের সাথে অসংগতিপূর্ণ এবং দেশীয় প্রজাতির মাছ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি স্বরূপ।
‘রূপচাঁন্দা নেবেন না-কি…? রূপচাঁন্দা…! দেখতি সুন্দর, খাতি ভালো, সস্তায় কেনেন রূপচাঁন্দা…!’ মাছের ফেরিওয়ালার এমন হাঁক-ডাকে রাস্তায় ছুটে যান গ্রামের ক্রেতারা। তারা মাছের চেহারা দেখেন। পিরানহার ’হা’ বেড় করে দাত দেখান বিক্রেতা। দেড় থেকে দুইশ টাকায় প্রতিকেজি রূপচাঁদা (?) কিনতে পেরে খুশি হন ক্রেতারা । অতপর মাছের পাত্র মাথায় তোলেন। আবারো হাঁক-ডাকের সুর তুলে এগিয়ে চলেন। শুক্রবার (১০ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে এমন দৃশ্য দেখা যায় শ্যামপাড়া গ্রামে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিক্রেতা জানান, চিতলমারী উপজেলা সদরের মাছের আড়ৎ হতে এই মাছ তিনিসহ অন্যান্য ফেরিওয়ালারা সংগ্রহ করেন। তারপর দড়িউমাজুড়ি, খাসেরহাট, শ্যামপাড়া, দুর্গাপুর, খড়মখালি, বাখেরগঞ্জ, নালুয়া, শৈলদাহসহ বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে তারা মাছগুলো বিক্রি করেন। বেশিরভাগ মাছ বরিশাল, পিরোজপুর এবং উজিরপুর হতে আসে বলে তিনি দাবী করেন।
এ ব্যাপারে চিতলমারী উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান রিগ্যান জানান, সরকারী নিষেধাজ্ঞা যারা অমান্য করবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ইতোমধ্যে পিরানহা ও বিদেশী মাগুর মাছ চাষাবাদ ও ক্রয়-বিক্রয় না করার জন্য উপজেলার মাছের আড়ৎ ও ডিপোগুলোতে জানানো হয়েছে।

     এ জাতীয় আরো খবর..

আমাদের পত্রিকায় আপনাকে স্বাগতম

সংবাদ খুজছেন… নিচের বক্সে শিরোনাম লিখুন