চিতলমারী সুদেরবলি স্কুল শিক্ষিকার মৃত্যুতে আটক ১

বিশেষ প্রতিবেদক: বাগেরহাটের চিতলমারীতে সুদখোরদের বলির শিকার স্কুল শিক্ষিকা হাসি কণা বিশ্বাসের মৃত্যুর  ঘটনায় চিতলমারী থানায়  মামলা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্ত ও সৎকার  শেষে বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে হাসি কণার স্বামী যুগল কান্তি ডাকুয়া বাদী হয়ে ৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে  চিতলমারী থানায় এ  মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-৪ তারিখ ২২/০৭/২০২০। মামলার অন্যতম আসামী উপজেলার আড়–য়াবর্নী গ্রামে বসবাসরত মোস্তাক খানের ছেলে চরবানিয়ারী ইউনিয়নের খড়মখালী গ্রমের অধিবাসী রেফাজুল খানকে থানা পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

(২০ জুলাই) সোমবার বিকেলে নিজ বসতঘরের আড়ার সাথে গলায় রশি বাঁধা হাসি কণার ঝুলন্তলাশ উদ্ধার করে থানা পুলিশ।  হাসিকনা উপজেলার দক্ষিণ শিবপুর মধ্যপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা এবং খড়মখালি গ্রামের যুগল কান্তি ডাকুয়ার স্ত্রী ছিলেন।

চিতলমারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মীর শরিফুল হক জানান, হাসিকণার স্বামী যুগল কান্তি ডাকুয়া বাদী হয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে নিয়মিত মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করেছি। ইতিমধ্যে মামলার অন্যতম আসামী রেফাজুল খানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যহত রয়েছে।

যুগল কান্তি ডাকুয়া এক ভিডিও সাক্ষাতকারে বলেন, রবিবার সকালে স্ত্রীকে নিয়ে বাজারের যাওয়ার সময় সুদের পাওনাদার অনুপ, বিকাশ ও রতœা সুদের টাকার জন্য আমাদের গালিগালাজ করে। সোমবার বিকাশ ও রতœা আবার বাড়িতে এসে আমার স্ত্রীকে গালিগালাজ করে যায়।বিকেলে  রেফাজুল খাঁ সহ অনুপ টাকার জন্য আমার স্ত্রীর নিকট আসে তারা দুজন বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাবার সময় রাস্তায় আমার সাথে দেখা হয়। এসময় ওরা আমাকে টাকার জন্য মানসিক ভাবে হেনস্তা করে। পরে বাড়ির ভিতর ডুকে দেখি  আমার স্ত্রী গলায় ফাঁস লাগানো আড়ার সাথে  ঝুলছে ।

যুগল আরও বলেন, ৬ মাসে সাড়ে চার লাখ টাকা পরিশোধের শর্তে বিকাশ ও রত্মার কাছ থেকে তিন লাখ টাকা কারেন্ট সুদে লোন গ্রহণ করি । কিছু সুদ পরিশোধও করেছি। করোনাকালীন সুদের টাকা না দিতে পারায় ওরা আমাদের ওপর মানসিক অত্যাচার শুরু করে। আমার শিশুসন্তানকে এখন কে দেখবে?

     এ জাতীয় আরো খবর..

আমাদের পত্রিকায় আপনাকে স্বাগতম

লাইভ ভিডিটর

176
Live visitors

সংবাদ খুজছেন… নিচের বক্সে শিরোনাম লিখুন