গাজী-কালু ও চম্পাবতীর গানের পালায় মাতোয়ারা শ্রোতারা

মো: একরামুল হক মুন্সী:
তথ্য প্রযক্তির যুগে এসে হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য জারি, সারি, রয়ানি, কির্ত্তন, যাত্রাপালা ও গাজী-কালু – চম্পাবতীর গানের পালা। এক সময় গ্রামে-গঞ্জে বিনোদনের একমাত্র মাধ্যম ছিলো এসব লোক সংস্কৃতি। কালের আবর্তে হারিয়ে যাওয়া এসব গানের পালাকে টিকিয়ে রাখতে গাজী-কালুর গানেরপালা গেয়ে দর্শক শ্রোতাদের মুগ্ধ করছেন কুদ্দুস বয়াতি।
গত বুধবার বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার শ্যামপাড়া গ্রামে স্যামল মাঝীর বাড়িতে গাজী-কালু – চম্পাবতীর গানের পালার আয়োজন করা হয়। এসময় শতশত দর্শক শ্রোতারা এসে জড়োহন আসরে। কুদ্দুস বয়াতি ও তারদল গান গেয়ে মুগ্ধ করেন শ্রোতাদের।
এসময় কথা হয় কুদ্দুস বয়াতির সাথে। তিনি জানান, তার গ্রামের বাড়ি বাগেরহাটের জয়গাছী গ্রামে। তার দাদার আমল থেকে গাজী-কালু – চম্পাবতীর গানের পালা তারা পরিবেশন করে আসছেন। তথ্য প্রযক্তির যুগে এসেও তাদের এ পালা গানের একটু ভাটা পড়েনি।
এব্যপারে বিশিষ্ট লেখক ও সাংবাদিক পংকজ মÐল জানান, তথ্য প্রযুক্তির দিনে এসব লোক সংস্কৃতি হারিয়ে যাওয়ায় যুব সমাজ মোবাইল ফোনও ইন্টারনেটে আসক্ত হয়ে পড়ছে। এসব পুরনো সংস্কৃতিকে যদি ধরে রাখা না যায় তবে আগামি প্রজন্ম একধাপ পিছিয়ে পড়বে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।

     এ জাতীয় আরো খবর..

আমাদের পত্রিকায় আপনাকে স্বাগতম

সংবাদ খুজছেন… নিচের বক্সে শিরোনাম লিখুন