চিতলমারীতে ৪০ লক্ষ টাকার খাল খননে অনিয়ম

মো: একরামুল হক মুন্সী:
বাগেরহাটের চিতলমারীতে ক্ষুদ্রকার পানিসম্পদ প্রকল্পের আওতায় উপজেলার কচুবুনিয়া- শরৎখালী খাল পু:নখননে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন এলাকার সাধারন মানুষ। তাদের দাবী প্রকল্পের শতভাগ অর্থ ব্যয়ের মাধ্যমে খালটির খনন কাজ সম্পন্ন হোক।

জানাযায়, চলতি বছরের মার্চ মাসে কচুবুনিয়া-শরৎখালী পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির উদ্যোগে সংস্থার সভাপতি ও প্রকল্প ঠিকাদার গুরুপদ বৈরাগী ৪১ লক্ষ ২৭ হাজার ৪৯ টাকায় খালটি সরকারী ভাবে খনন কাজ শুরু করেন। এসময় সিডিউল বহিঃভূত দায়সারা ভাবে খালটি খনন করে যেতে থাকেন তিনি। কিছুদিন যেতে না যেতে হটাৎকরে জোয়ারের পানির চাপ বেড়ে যায় খালের বাঁধের বিপরীতে। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে ঠিকাদার গুরুপদ বৈরাগী খাল পু:ন খনন কাজ অ-সম্পন্ন রেখে খালের বাঁধ ছেড়ে দেন, এতে খালটি পানিতে ভরে যায়। খাল খননের এমন অনিয়ম দেখে এলাকার সাধারন জনগণ গনমাধ্যমকর্মীদের অভিযোগদেন।

খাল পাড়ের একটি সাইন বোর্ডে দেখা যায়, কচুবুনিয়া-শরৎখালী উপ-প্রকল্প (এসপি আইডি নং-১৩১০৮) এর আওতায় ৪১,২৭৪৯ টাকা বরাদ্দে ০৮/০৩/২১ তারিখে শুরু এবং ৩০/০৪/২০২১ তারিখে শেষ হবার মাধ্যমে ২৮৪৭.১৭ ঘনমিটার খাল পু:ন খনন প্রকল্প চিত্র রয়েছে।

খাল পাড়ের বাসিন্দা আদিখালী গ্রামের রিপন মোল্লা জানান, খালের দ’ুপাড়ে কোদাল দিয়ে ড্রেসিং করা হয়েছে। কোন কোন স্থানে এক পাড়ে মাটি আংশিক খনন করা হয়েছে। অপর পাড়ে খাশ জায়গা থাকলেও সেখানে মাটি খনন করা হয়নি। স্থানীয় আলামিন গাজী, মোজাহার গাজীসহ অনেকে জানিয়েছেন, সিডিউল মোতাবেক খালের গভীরতা হয়নি। খালের বিভিন্ন স্থানে পাড় ধ্বসে মাটি খালের মধ্যে গেলেও তা অপসারণ না করে তড়িঘড়ি খালের বাঁধ কেটে পানি চলা চলের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এব্যপারে চিতলমারী উপজেলা প্রকৌশলী মো: জাকারিয়া ইসলাম বলেন, খালের পু:ন খননের কাজ বাকী থাকার কারনে ঠিকাদারকে সম্পুর্ণ বিল দেওয়া হয়নি। এবিষয়ে প্রকল্প সভাপতি ও ঠিকাদার গুরুপদ বৈরাগীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বিল পেয়ে দেখা করবেন মর্মে জানান।

Set featured image

     এ জাতীয় আরো খবর..

আমাদের পত্রিকায় আপনাকে স্বাগতম

সংবাদ খুজছেন… নিচের বক্সে শিরোনাম লিখুন