শেখ হেলাল উদ্দীন এমপি’র উন্নয়ন চিতলমারীর মানুষের জন্য এক অনন্য মাইল ফলক

মো: একরামুল হক মুন্সী:
চিত্রা-মধুমতি ও বলেশ্বর বিধৌত সাতটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত আজকের চিতলমারী উপজেলা। আশির দশক পুর্ববর্তী চিতলমারী এলাকার প্রাচীন জনপদ ছিলো অনুন্নত এবং আবহেলিত।
১৯৮৩ সালে চিতলমারী থানাটি উপজেলা হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়ায়। তার পর থেকে ৪৬ হাজার ২৩০ একর আয়তনের সাতটি ইউনিয়ন ও ১লাখ ৬ হাজার ১৫৬ জন জনসংখ্যা নিয়ে হাঁটি-হাঁটি ,পা-পা করে এগিয়ে যেতে থাকে উপজেলাটি । এ ভাবে শিশু উপজেলাটির সাত বছর যেতে না যেতেই সে তারুন্যকে ছাড়িয়ে যৌবনের উম্মাদনায় বিভোর হয়ে পড়ে। এ ভাবে কয়েক যুগ পেরিয়ে এখন সর্বাঙ্গে চলছে তার উন্নয়নের জোয়ার।
এক সময়ের অবহেলিত এ জনপদে ছিলনা কোন প্রকার উন্নয়নের ছোঁয়া। বর্তমান এখানে অভাবনীয় উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে । আর এ উন্নয়নের কারিগর হিসেবে যে মানুষটি রয়েছেন তিনি হলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভ্রাতুস্পুত্র ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই বাগেরহাট ১ আসনের এমপি শেখ হেলাল উদ্দীন।
এখানে গড়ে উঠছে রাস্তা-ঘাট, স্কুল-কলেজ, মসজিদ, মন্দির, মাদ্রসা, ফায়ার সার্ভিস স্টেশন, কারিগরি কলেজ, খাদ্যগুদাম,হ্যালিপ্যাড,আধুনিক রেস্টহাউজ, থানা ভবন, হাসপাতাল সহ অগনিত প্রতিষ্ঠানও অবকাঠামো। খোঁজা হচ্ছে ষ্টেডিয়ামের জায়গা। এখানে পৌরসভার বিষয় নিয়েও ভাবা হচ্ছে বলে জানাগেছে। সাত ইউনিয়নের প্রত্যন্ত পল্লী এলাকার যাতায়ত ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন হয়েছে। চলমান রয়েছে অনেক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম।
আধুনিক চিতলমারীর ধারক-বাহক শেখ হেলাল উদ্দীন এমপির এ অবদান চিতলমারীর মানুষের জন্যএক অনন্যমাইল ফলক বলে জানিয়েছেন এলাকার সুশীল সমাজের সাধারন জনগণ।
অপার সম্ভাবনাময় এ উপজেলায় ঘুচে যাক সুপেয় পানির অভাব ; অচিরেই গড়ে উঠুক শিল্পও বানিজ্য ভিত্তিক নানাবিধ কল-কারখানা। মুছে যাক নতুন প্রজন্মের বেকরত্বের অভিশাপ। বঙ্গবন্ধুও প্রধানমন্ত্রী পরিবারের সিংহ পুরুষ জননেতা শেখ হেলাল উদ্দীন এমপি’র প্রতি এ প্রত্যাশাও চিতলমারীর গণ মানুষের।
Tanvir Islam Tangir, Amit Biswas and 23 others
2 Comments
Like

Comment
Share

     এ জাতীয় আরো খবর..

আমাদের পত্রিকায় আপনাকে স্বাগতম

সংবাদ খুজছেন… নিচের বক্সে শিরোনাম লিখুন