ওদের খবর কেউ রাখেনা

অন্তরালে ডেক্স:

খাবার যোগাড় হোক বা না হোক সামান্য ভিটে মাটিতে নিরাপদে রাত্রি যাপন করতে চান সকলে। কিন্তু সে সুভিধা থেকেও বঞ্চিত একটি পরিবার। বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের মৃত: রতেœশ্বর বৈরাগির ছেলে চিত্তরঞ্জন বৈরাগির এই অসহায় পরিবারের খবর কেউ রাখেনা।
৬০ উদ্ধো চিত্তরঞ্জনের পৈত্রিক ভিটে বরিশালের আগলঝরা থানার বাগদা গ্রামে। তিনি প্রায় ২০ আগে চিতলমারীর দুর্গাপুর গ্রামের সজল হুই এর  ভিটায় আশ্রয় নিয়েছেন। পরিবারে রয়েছেন তার স্ত্রী সবিতা বৈরাগি ও ৬ষ্ঠ শ্রেনীরতে পড়-য়া এক শিশু পুত্র।
চিত্তরঞ্জন জানান, এখানেই স্বামী-স্ত্রী ভোটার হয়েছেন, পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি। নানা বিধ অসুক তার শরীরে বাসা বেধেছে। নিয়মিত কাজ করা তার পক্ষে সম্ভব হয়না। ওষুধ কেনা যেমন তেমন পরিবার নিয়ে দু’মটো ভাত খেতে অনেক কষ্ট করতে হয় তাকে। স্থানীয় জন প্রতিনিধিরা তার পরিবার কে সরকারি কোন সাহায্য সহযোগিতা এখন পর্যন্ত করেনি বলে জানান তিনি।
জীর্ণশীর্ণ একটি ছাপড়া ঘরে পরিবার নিয়ে বসবাস করেন চিত্তরঞ্জন। পলিথিনের ছাওনি এই ঘরটি খোলা আকাশের নিচে। ভাঙা চাল ভেদ করে রোদ আর বৃষ্টি অনায়েসেই ঢুকতে পারে ঘরে। ঘর ও ভিটে হীন এমন এক অসহায় পরিবারটির প্রতি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের এতদিনে কেন নজর আসেনি সে প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে সাধারন মানুষের মাঝে। অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান মানুষের মৌলিক চাহিদা হলেও যাদের নুন আনতে পান্তা ফুরায় তাদের খবর কেউ রাখেনা।
যেখানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মানবতার প্রতীক জননেত্রী শেখ হাসিনা অসহায় ভিটেমাটি হারা মানুষদের বাস স্থানও গৃহ দিচ্ছেন। সেখানে ২০ বছর ধরে এই পরিবারের জন্য স্থানীয় জন প্রতিনিধিরা সরকারি দপ্তরে তার নামের তালিকা কেন  প্রদান করেননি ? এটাই প্রশ্ন এখন।
এব্যপারে স্থানীয় হারান কুমার দে জানান, ওরা আমার প্রতিবেশী যতটুকু পারি মঝেমধ্যে সাহায্য করি। তাদের বিষয়টি চেয়ারম্যান-মেম্বরের নজরে আসা খুবই জরুরী।
প্রতিবেশী কণিকা রানী দে বলেন, এরা একবারেই অসহায় ; খুব কষ্টে এদের জীবন চলে। যতটুকু যানি এপর্যন্ত কোন সরকারি সাহায্য তারা পায়নি।
এই পরিবারকে আশ্রায় দাতা দুর্গাপুর গ্রামের সজল কুমার হুই বলেন, এপর্যন্ত তার পরিবার কে সরকারি সহযোগিতা করেনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। দীর্ঘ ২০ বছর ধরে তারা আমার জায়গায় রয়েছেন। মানবিক কারণে তাদের স্থান দিয়েছি। একটু মাথা গোঁজার ঠাঁই হোক। সে বিষয়ে সরকারের দৃস্টি আকর্ষণ করছি।
এব্যপারে স্থানীয় ইউপি মেম্বর গোরা চাঁদ ঘোষ বলেন, চিত্তরঞ্জন তার প্রতিবেশী তার বিষয়ে আমি দেখছি কি করা যায়।

     এ জাতীয় আরো খবর..

আমাদের পত্রিকায় আপনাকে স্বাগতম

সংবাদ খুজছেন… নিচের বক্সে শিরোনাম লিখুন