খুলনা টাইমস ও ভয়েস অফ খুলনা নামের দুটী পেজ ব্যবহার করে জাতীয়তাবাদী আওয়ামী লীগ “চিতলমারীর অন্তরালে” উল্লেখ করে একটি লোগো ব্যবহার সহ সোশ্যাল মিডিয়ায় চিতলমারী প্রেসক্লাব সভাপতি মোঃ একরামুল হক মুন্সীর ছবি সংযুক্ত এবং খুলনা টাইমস ও ভয়েস অফ খুলনা নামে দুটিপেজ একত্রিত করে লেখা হয়েছে যে, জনাব ইকরামুল হক মুন্সী আজ থেকে আমাদের কাছে আপনার সম্মান বেড়ে গেল। প্রমান হয়েগেল আপনি কোন রাজনৈতিক দলের পা-চাটা গোলাম নয়-ধন্যবাদ আপনাকে।
এখানে আমি মোঃ একরামুল হক মুন্সী ঐ প্রসংশাকারীকে জানাতে চাই আপনিকে? কোথার কোন বাটপাড়? আমার সামনে এসে প্রসংশা করুন। আপনারকি জানা আছে আমি চিতলমারীর অন্তরালে পত্রিকার সম্পাদক এবং প্রকাশক,(রেজি নং-কেএন-৪৯৪) আপনার কি জানা নেই আমি দেশ বরেন্য আমার দেশ পত্রিকায় ২০০৫ থেকে নিয়োগ প্রাপ্ত চিতলমারী উপজেলা প্রতিনিধি। আপনার কি জানা নেই আমি বহুল প্রচারিত অনলাইন ঝর্ণা টিভির নির্বাহী পরিচালকসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি। সেখানে আপনার বাটপাড়ী প্রসংশার দরকারটাকি আমাকে।
আমিতো প্রায় ডর্জনখানেক জাতীয় পদক পেয়েছি সাংবাদিকতার শ্রেষ্ঠয়ত্বের। আপনি আমার সামনে আসুন আপনাকে একটা দলের দালাল হিসেবে একটা প্রসংশা পত্র দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
(১) খুলনা টাইমস এবং ভয়েজ অফ খুলনাতো দুরের কথা প্রায় ২০বছরাধিক আমি খুলনা বিভাগের কোন পত্রিকায়ইতো লেখালিখি করিনা। তাই বলতে চাই ভুঁয়াপেজে আমার বরাত দিয়ে এই বাটপাড়ী সংবাদ ছাপিয়ে চোরেরমত গা-ঢাকা দিয়েছো কেন কাপুরুষের দল। একটি দলের লোকদের সাথে আমার বিরোধ সৃষ্টিকরার ষড়যন্ত্র তাইনা? তারা জানেন আমি ডিলার নিয়োগ কমিটির সদস্য ছিলাম এবং ন্যায় সঙ্গত কাজ করেছি।
(২) এই বাটপাড় গুলো একটি দলের দালল। বিগত দিনে এরা ছিলো এখনও আছে। বাংলাদেশ সরকার তথা প্রশাসনকে যারা সহযোগিতা করার জন্য নিবেদিত প্রাণ হিসেবে কাছ করে যাচ্ছেন, তাদেরকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে ভূঁয়া পত্র-পত্রিকাও পেজে সৃষ্টিকরে এরুপ বানোয়াট কল্পকাহিনী ছাপানো হচ্ছে। এদের চিহ্নত করে আইনের আওতায় আনতে আমি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
(৩) ২৮ আগস্ট চিতলমারী উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে ও এম এস এবং খাদ্যবান্ধব ডিলার নিয়োগ সংক্রান্তে চিতলমারী প্রেসক্লাবের সভাপতি হিসেবে উক্ত কমিটির একজন সদস্য হিসেবে সেখানে উপস্থিত থাকি এবং আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করি। যেখানে বিভিন্ন দলের প্রায় শতাধিক লোক ছিলেন। এখানে বিধি সম্মত ভাবে এবং লিখিত কোন অভিযোগ ছাড়া ডিলার নিয়োগ করা হয়। সেখানে ইউএনও ছিলেন সভাপতি এবং আমিসহ দাপ্তরিক কর্মকর্তা ছিলেন কমিটির সদস্য। সেখানে আমি কোন কারনে ডিলারদেও বিরুদ্ধে দুর্ণীতির সংবাদ পরিবেশন করবো ; বল বাটপাড়ের দল। সেখানেতো লেসমাত্র দুর্ণীতি হয়নি। বিধি সম্মত সব কিছু হয়েছে । সুতারং তোদেরমত দেশদ্রোহিদের বিচারের আওতায় আসতে হবে। ( মো: একরামুল হক মুন্সী) সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী।
সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ একরামুল হক মুন্সী, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মঞ্জুর মোর্শেদ স্বপন মোবা: ০১৭৬৮-৭৩০০৬৮, বার্তা সম্পাদক তানজীর মুন্সী, আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডভোকেট এস এম ইমরান হোসেন, সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক: দেবকী মল্লিক, খুলনা ব্যুরো চীফ মুহাম্মদ নাঈমুজ্জামান শরীফ, মোবা: ০১৯১৮-৮৪৮২৩৬।ঢাকা অফিস: প্রশান্তি টাওয়ার, ৮-অভয়দাস লেন, ঢাকা-১২০৩, মোবা: ০১৯১৯-৮৩৪১৬৪, সম্পাদকীয় কার্যালয়: থানা মসজিদের পশ্চিম, চিতলমারী, বাগেরহাট। মোবাইল নং ০১৯৬১-৪২৪৯৯৯ E-mail: akramzesen1@gmail.com অলিফ প্রিন্টিং প্রেস, ২২১ ফকিরা পুল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও চিতলমারী থেকে প্রকাশিত।
All rights reserved © 2019 /chitalmarirantorale.com