বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
 মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে দেখে পালালেন প্রধান শিক্ষক : নিষিদ্ধ গাইড বই ও প্রশ্নপত্র জব্দ আধুনিক ও টেকসই কৃষি উন্নয়ণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, অধ্যক্ষ মশিউর রহমান এমপি চিতলমারীতে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল: পূর্ণাঙ্গ কমিটিই একমাত্র সমাধান চিতলমারীতে প্রতিবন্ধীদের সহায়তায় হুইল চেয়ার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের অপতৎপরতার প্রতিবাদে বিএনপির ৫ সংগঠনের মিছিল “বিদ্যুৎবিল পরিশোধের জন্য জরুরী ঘোষনা” চিতলমারীতে ৫ দিনব্যাপী কাব স্কাউটস বেসিক কোর্স সম্পন্ন চিতলমারীতে জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন চিতলমারীতে পুলিশের বড় অভিযান: গ্রেপ্তার ১০, উদ্ধার ১

চিতলমারীতে প্রভাতে বসে ‘মানুষ বিক্রির হাট’

রিপোর্টারের নাম / ২৬৩ টাইম ভিউ
আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন

চিতলমারীতে প্রভাতে বসে ‘মানুষ বিক্রির হাট’
মোঃ একরামুল হক মুন্সী:
নিজেকে বিকিয়ে দেন অপরের তরে। প্রভাতে চোখে-মুখে ঘুম ঘুম দৃশ্যপট ; নিম্ন আয়ের মানুষেরা চলে আসেন “মানুষ বিক্রির হাটে”। গৃহস্থ বা মহাজনদের সাথে দাম-দরে সম্মতি হলে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিভিন্ন কাজ কামে ব্যস্ত সময় পার করেন এ সকল শ্রমজীবি মানুষগুলো। বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার দূর্গাপুর মঠের কাছে এ দৃশ্য প্রতি দিন ভোর বেলার। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত নি¤œ আয়ের মানুষের কাছে দেখা যায় কাস্তে, কোদাল, ঝুড়ি, আবার কেউ খালি হাতে হাজির হন সম্ভাব্য কর্মের আশায়।
তারা এই হাটে পণ্যের মতো দর-কষাকষির মুখোমুখি হন, ভাগ্যবানরা পেয়ে যান দিনের কাজ, কেউ ফিরে যান খালি হাতে। বর্তমান চিতলমারী উপজেলায় বোরো ধান কাটার মৌসুম। শ্রমিকের বেশ চাহিদা রয়েছে এখানে। সে কারনে জেলা ছাড়িয়ে প্রতিদিন বিভিন্ন জেলার কয়েক শত শ্রমীক জড়োহন এখানে।
গৃহস্ত এবং আগত বেশ কজন শ্রমীকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, বর্তমান সর্ব নিম্ন ১০০০ এবং সর্বউর্দ্ধে ১৫০০ টাকায় একজন শ্রমীক বিকি-কিনি চলছে। এছাড়া কর্মস্থলে যাতায়ত এবং সকালের নাস্তা ও দুপুরের খাবার গৃহস্থ বহন করেন।
সু দুর রাজশাহী বিভাগের চাপাই নবাবগঞ্জ জেলা থেকে আগত ১০জন শ্রমীকের মধ্যে মোঃ জমির মিঞা ও হাকিম মিয়ার সাথে কথা হলে তারা জানান, ৪দিন হল চিতলমারী সদর এলাকায় আসছেন। বৃহস্পতিবার ‘ভোর ৪টায় ঘুম থেকে উঠে এখানে আসছেন। ১ঘন্টা হয়েছে বিক্রি হতে পারেন নি। তারা ধান কাটার কাজে বিক্রি হবেন । দেপাড়া এলাকার আফসার উদ্দীন জানান, অনেক ভোরে এখানে আসছেন বিক্রি হতে পারেননি। তিনি বলেন ভাগ্যে কি আছে জানিনা। চরবানিয়ারির সুবল বালা জানান, কাজের জন্য আসছি কাজ পেলে টাকা, না পেলে খালি হাতে ফিরতে হবে। শরীরে যত দিন শক্তি থাকবে, তত দিনই কাজ করে পরিবার –পরিজন নিয়ে বাঁচাতে হবে এইতো জীবণ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *