বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
 মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে দেখে পালালেন প্রধান শিক্ষক : নিষিদ্ধ গাইড বই ও প্রশ্নপত্র জব্দ আধুনিক ও টেকসই কৃষি উন্নয়ণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, অধ্যক্ষ মশিউর রহমান এমপি চিতলমারীতে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল: পূর্ণাঙ্গ কমিটিই একমাত্র সমাধান চিতলমারীতে প্রতিবন্ধীদের সহায়তায় হুইল চেয়ার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের অপতৎপরতার প্রতিবাদে বিএনপির ৫ সংগঠনের মিছিল “বিদ্যুৎবিল পরিশোধের জন্য জরুরী ঘোষনা” চিতলমারীতে ৫ দিনব্যাপী কাব স্কাউটস বেসিক কোর্স সম্পন্ন চিতলমারীতে জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন চিতলমারীতে পুলিশের বড় অভিযান: গ্রেপ্তার ১০, উদ্ধার ১

রূপসায় পুলিশি হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো জমি দখলের অবৈধ কার্যক্রম

রিপোর্টারের নাম / ৫৩১ টাইম ভিউ
আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন

রূপসা প্রতিনিধি: অবশেষে পুলিশি হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো রূপসা উপজেলার রামনগর গ্রামে অবৈধ জমি দখল কার্যক্রম। গত কয়েকদিন ধরে ওই গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মুজিবর রহমানের ক্রয়কৃত সম্পত্তি জবরদখলের চেষ্টা চালাচ্ছিল বিক্রেতার সন্তানেরা। এ ব্যাপারে ২ জুলাই তিনি আদালতের শরণাপন্ন হয়ে ১৪৪ ও ১৪৫ ধারায় মামলা দায়ের করেন। আজ ৩ জুলাই বিকেলে আদালতের মামলার সূত্র ধরে পুলিশ এসে ঘর নির্মাণের কাজ বন্ধ করে দেয়।

উপজেলার রামনগর গ্রামের বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ভুক্তভোগী মো. মুজিবর রহমান প্রায় ৩০ বছর পূর্বে একই গ্রামের করিম শেখ ও তার বোনের নিকট থেকে রামনগর মৌজায় ৫৬.৭৮ শতক জমি কবলামূলক ক্রয়পূর্বক ভোগদখল করে আসছিলেন। এমনকি নিজ নামে জমির মিউটেশনসহ কাগজপত্র করে কর-খাজনা পরিশোধ করছিলেন। এদিকে জমি বিক্রেতা করিম শেখের মৃত্যুর কয়েক বছর পর থেকে তার ছেলে লুৎফর রহমান ও তার সন্তানেরা ওই জমি জবরদখলের চেষ্টা চালাতে থাকে। ক্রয়সূত্রে ভোগদখলকারী জমির মালিক মুজিবর রহমান তাদের বাধা দিতে গেলে তাকে নানা প্রকার ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করা হয়। এনিয়ে ২০১৬ সালে জবরদখলকারীদের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী মুজিবর রহমান রূপসা থানায় জিডি করেন। এরপর থেকে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও গত কয়েকদিন ধরে লুৎফর গং ওই জমি আবারো দখলে মরিয়া হয়ে ওঠে। সেখানে নির্মাণ করতে থাকে বসতঘর। এমতাবস্থায় ২ জুলাই ভুক্তভোগী মুজিবর রহমান বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত খুলনায় ১৪৪ ও ১৪৫ ধারায় মামলা দায়ের করেন। যার প্রেক্ষিতে রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমানের নির্দেশনায় কিসমত খুলনা ফাঁড়ি পুলিশ ৩ জুলাই বিকেলে নোটিশ জারি করে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয়। তবে নোটিশ দেওয়ার পর নোটিশ প্রাপ্তির স্বাক্ষর নিয়ে ফাঁড়ি ইনচার্জ চলে যাওয়ার পরপরই অভিযুক্ত লুৎফর রহমান পুনরায় দখলকাজ চালিয়ে যায়। আইন ও আদালতের আদেশ উপেক্ষা করার সংবাদটি রূপসা থানা ইনচার্জ মাহফুজুর রহমানের কাছে পৌঁছালে তিনি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে কাজটি বন্ধ করে দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *