বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন

মো: নাঈমুজ্জামান শরীফ(খুলনা ব্যুরো)
যারা মা-মাটি মানুষের কথা সংবাদপত্রের মাধ্যমে জনসম্মূখে তুলে ধরেন তারাই সাংবাদিক। নামিদামি সাংবাদিকদের নিয়ে অনেক গুণগান রচিত হয়। তাদের নিয়ে হয় সভা সেমিনার। কিন্তু উপজেলার গ্রামগঞ্জের প্রত্যন্ত অঞ্চলে যারা কতকটা নেশার ঘোরে সাংবাদিকতা পেশায় নিয়োজিত তাদের কথা আমরা ক’জনে স্মরণ করি? প্রথমত ‘মফস্বল সাংবাদিক’ শব্দে আখ্যা দিয়ে তাদের অবদমন করা হয়। দ্বিতীয়ত তাদের ন্যায্য অধিকার সরকারের ওয়েজবোর্ড অনুযায়ী বেতন-ভাতা হতে বঞ্চিত করে বিপদমুখির পথ দেখানো হয়। এরপর সমাজে রয়েছে কুৎসা ও প্রতিবন্ধকতা। এসব পরিস্থিতি মোকাবেলাকারী একজন সাংবাদিক মোঃ একরামুল হক মুন্সী। তিনি ১ মার্চ ১৯৬১ সালে বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলাধীন আড়–য়াবর্নী গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুন্সী বাড়ীতে জন্ম গ্রহণ করেন ।
পিতা মরহুম মোকসেদুল হক মুন্সী, মাতা মরহুমা চাঁদবিবি, স্ত্রী মিসেস ঝর্না একরাম। বর্তমান তারা দুই কন্যাও দুই পুত্র সন্তানের জনক ও জননী। মোঃ একরামুল হক মুন্সী বিগত ৩০/০৬/৯৭ তারিখ খুলনা থেকে প্রকাশিত দৈনিক অণির্বাণ পত্রিকায় লেখালেখির মধ্য দিয়ে সাংবাদিকতা পেশায় প্রবেশ করেন। একাধারে তিনি খুলনাঞ্চলের দৈনিক প্রবাহ, দৈনিক জন্মভূমি, দৈনিক জনবার্তা, দৈনিক পাঠকের কাগজ, দৈনিক ফলাফল, দৈনিক কালান্তর, দৈনিক খুলনাঞ্চল, দৈনিক খাশখবর, দৈনিক তথ্য, দৈনিক দূত, দৈনিক উত্তাল, দৈনিক দক্ষিন কন্ঠ, সাপ্তাহিক দর্পন, উপকুল সমাচার, সাপ্তাহিক পানগুছি,সাপ্তাহিক বণাঞ্চল, ম্যগাজিন আপরাধ বিচিত্রা, মানবাধিকার খবর ও স্বকালচিত্রে কাজ করেছেন। জাতীয় পত্রিকার মধ্যে: একাধারে দৈনিক দিনকাল, দৈনিক ইনকিলাব, দৈনিক আমার দেশ, দৈনিক আমার প্রাণের বাংলাদেশ, দৈনিক প্রকৃতির সংবাদ পত্রিকায় চিতলমারী উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এছাড়া মোঃ একরামুল হক মুন্সীর সম্পাদিত ও প্রকাশিত সরকারী নিবন্ধিত পাক্ষিক “চিতলমারীর অন্তরালে”নাম করণে একটি পত্রিকা নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে। এ পত্রিকার প্রতিনিধিরা সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। ২০০৮ সালে এ সাংবাদিকের প্রকাশনায় একটি সাহিত্য সাময়িকী প্রকাশিত হয়, যার নাম “রাত পোহাতে কত দেরী” ।
সাংবাদিকতা পেশায় অর্জন :
তিনি অনুসন্ধানী রিপোর্টের অবদান স্বরূপ ২০১০সালের ১৩ অক্টোবর ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সেমিনার হলে অনুষ্ঠিতব্য গুনিজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ক্রেস্টও সম্মাননাপত্রে ভূষিত হন। ৩১ মার্চ ২০১১ সালে শাহাবাগ পাবলিক লাইব্রেরী সেমিনার হলে অনুষ্ঠিতব্য গুনিজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তথ্য বাংলা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে চিতলমারী উপজেলার শ্রেষ্ঠ সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীর অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ“মহান স্বাধীনতা সম্মাননা” সনদ ও ক্রেস্ট এ ভূষিত হন। ১৪ অক্টোবর ২০১২ সালে টাকাস্থ কেন্দ্রীয় যাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে“স্বাধিনতা সংসদ”এর উদ্যোগে মফস্বল সাংবাদিকতার বিশেষ অবদানে “শেরে বাংলা একে ফজলুল হক স্মৃতি সম্মাননা পুরস্কার প্রাপ্তি হন। ২৭ মার্চ ২০১২ সালে শাহাবাগ পাবলিক লাইব্রেরী সেমিনার হলে অনুষ্ঠিতব্য গুনিজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে“ জাতীয় সাংবাদিক কল্যান সোসাইটির উদ্যোগে “স্বাধীনতা সম্মাননা” প্রাপ্তিতে ক্রেস্টস্ট ও সনদ গ্রহণ করেন।
এছাড়া ৩১ অক্টোবর ২০১১সালে তথ্য বাংলা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে শাহাবাগ পাবলিক লাইব্রেরী সেমিনার হলে অনুস্টিতব্য গুনিজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে “অন্তরালে পত্রিকার সম্পাদকের অবদানে” ক্রেস্টও সম্মাননাপত্র গ্রহণ করেন। ৩১ মে ২০১০সালে চিতলমারী প্রেসক্লাবের সভাপতির অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ শাহাবাগ পাবলিক লাইব্রেরী সেমিনার হলে অনুষ্ঠিতব্য গুনিজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার বাস্তবায়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ক্রেস্টও সম্মাননাপত্রে ভূষিত হন।
সাংবাদিক একরামুল হক মুন্সীর প্রকাশিত কিছু ফিচার ও সংবাদের শিরোনাম :
“হুমায়ুন কবীর বালু ছিলেন সাংবাদিক জগতের এক উজ্জ¦ল নক্ষত্র” (প্রকাশ কাল ৩১ আষাঢ় ১৪১১ বাংলা, দৈনিক জন্ম ভূমি ), “এ্যাডঃ কালিদাস বড়ালকে হারিয়ে চিতলমারী বাসি এখন অসহায়” (প্রকাশ কাল,৪ সেপ্টেম্বর ২০০০ সাল,দৈনিক অণির্বান), “লাশ টেনে জীবিকা নির্বাহ করে নুরু” (প্রকাশ কাল ১২ সেপ্টেম্বর-২০০৭ দৈনিক আমারদেশ), “চিতলমারীতে মুনি সম্প্রদায়ের শিল্পকর্ম বিলপ্তির পথে” (প্রকাশ কাল২৮জুন-২০০৫ দৈনিক আমার দেশ),“ একজন আদর্শ শিক্ষানুরাগী যোগেশ চন্দ্র” (প্রকাশ কাল ১২মার্চ-২০০৮ সাঃ খানজাহান), “জীবন জীবিকার তাগিদে” (প্রকাশ কাল ৮ জুন ২০০৮ সাঃ খানজাহান), “মুক্তিযুদ্ধের এক কিংবাদন্তি শহীদ সুঃ মেজর জয়নুল আবেদীন মানিক মিয়া” (প্রকাশ কাল- ২০০৮সাহিত্যের তরী রাত পোহাতে কত দেরী), “চিতলমারীর জন্ম কথা”(প্রকাশ কাল ঐ), “চাষীদের মাঝে ব্যপক সাড়া চিতলমারীতে গুটি ইউরিয়া সারের ব্যবহারে বাম্পার ফলনের আশংকা”( প্রকাশ কাল ১মার্চ-২০০৮ (মাসিক চাঁদনী), “চিতলমারীতে গো খাদ্যের তীব্র সংকট” (প্রকাশ কাল ১৩ এপ্রিল ২০১০ দৈনিক আমার দেশ), “চিতলমারীতে তিন নবজাতক ভালো আছে”(প্রকাশ কাল ১২আগস্ট ২০০৯), “ চিতলমারীতে হুমকির মূখে ১৫০০০ হেক্টর ফসলী জমি” ( প্রকাশ কাল এপ্রিল ২০১০ দৈনিক আমার দেশ),“ চিতলমারীতে সুপেয় পানির তীব্র সংকট” ( প্রকাশ কাল ২৪ এপ্রিল ২০১০ দৈনিক আমারদেশ),“ চিতলমারীতে শিক্ষকের অনৈতিক কর্মকান্ডের অভিযোগ” (প্রকাশ কাল ২৬ এপ্রিল ২০১০ দৈনিক আমারদেশ ),“চিতলমারীতে যৌতুকের কারনে প্রান দিতে হল ভানুকে” (প্রকাশ কাল মে ২০১০দৈনিক আমারদেশ),“ চিতলমারীতে ১৪৪ধারা ভেঙ্গে মুক্তি যোদ্ধার জায়গা দখল”(প্রকাশ কাল ৪ মে ২০১০ দৈনিক আমারদেশ), “ চিতলমারীতে গ্যাসের সন্ধান লাভ” প্রকাশ কাল ২৩ জানুয়ারী ২০১০দৈনিক