বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন

মো: একরামুল হক মুন্সী:
প্রিয় সুধী,বিগত বিএনপির আমলে কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা রবিউল ইসলাম রবি ভাই চিতলমারী সফর করেন। আমি সে সময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতি সংস্থা জাসাস এর চিতলমারী উপজেলা সভাপতি,জেলার সহ-সভাপতি এবং চিতলমারী প্রেসক্লাব সভাপতি হিসেবে ভাইয়ের সাথে আমার পরিচয় হয়, করমর্দন হয় ও মত বিনিময়হয়। যাহা ক্যামেরা বন্ধী করি এবং ফেসবুকে পোষ্ট করা হয়।এর কিছুদিন পর আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসে ।
এরপর আওয়ামী লীগ পদধারী এক সংবাদকর্মী এই ছবিটি ফেসবুক থেকে ডাউনলোড দেয়। পরে মনিরুল খা নামের এক মৎস্য লীগ নেতাকে দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোষ্ট করে ক্যাপশনে লেখা হয় আমি নাকি জঙ্গি-রাজাকার এবং জামাত শিবিরের লোক।
এর ৩ থেকে ৪মাস পরে অনুরুপ ক্যাপশান লিখে ছবিটি পোষ্ট দেয় ওসি ও দারোগা পরিচয় দিয়ে ২লক্ষ টাকার মাছ ছিনতাইকারী ২ চাঁদাবাজ (এবং একটি দলের দোসর) দাউদ শেখ ও বাট্টু রহমান। এরুপ আমাকে কালার করতে ওরা এই ঐতিহাসিক ছবিটি ব্যবহার করেছে।
আমি বলতে চাই আপনারা আমাকে ফাঁসাতে যার ছবিটা তুচ্ছ – তাচ্ছিল্যভাবে ফেসবুকে বারবার পোষ্ট দিয়ে ছিলেন, সেই প্রিয় নেতা মাননীয় শেখ রবিউল ইসলাম রবি ভাই এখন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং নৌ-পরিবহণ মন্ত্রণালয়েরমন্ত্রির দায়িত্ব পেয়েছেন। ।
আমাকে এ্যারেস্ট করাতে ডিজিটাল আইনে নাটকীয় মামলাসহ এমন কোন চক্রান্ত নেই যে, ওরা করেনি। আওয়ামী আমলে এরা ১৭ বছর প্রেসক্লাব জোর করে দখল নেয়। ৫আগষ্টের পর উদ্ধার করা হলেও সড়যন্ত্র চলছে। মার পিটের হুমকি দেয়া হচ্ছে ক্লাবের সদস্যদের।
আমি প্রতি হিংসা পছন্দ করিনা। ইচ্ছে করলে আইনের আওতায় হোক বা অন্যভাবে হোক বিগত ফ্যাসিস্টদের বদলা নিতে পারি। আমার কাছে ওদের সবধরনের এভিডেন্স আছে, কিন্তু প্রয়োগ করতে চাইনা। যদি প্রয়োগ করি তাহলে ওদের বউ- বাচ্চা অনাহারে থাকবে। অতএব, সাধু সাবধান। মনে রাখবেন এক মাঘে শীত জায়না।