বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
 মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে দেখে পালালেন প্রধান শিক্ষক : নিষিদ্ধ গাইড বই ও প্রশ্নপত্র জব্দ আধুনিক ও টেকসই কৃষি উন্নয়ণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, অধ্যক্ষ মশিউর রহমান এমপি চিতলমারীতে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল: পূর্ণাঙ্গ কমিটিই একমাত্র সমাধান চিতলমারীতে প্রতিবন্ধীদের সহায়তায় হুইল চেয়ার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের অপতৎপরতার প্রতিবাদে বিএনপির ৫ সংগঠনের মিছিল “বিদ্যুৎবিল পরিশোধের জন্য জরুরী ঘোষনা” চিতলমারীতে ৫ দিনব্যাপী কাব স্কাউটস বেসিক কোর্স সম্পন্ন চিতলমারীতে জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন চিতলমারীতে পুলিশের বড় অভিযান: গ্রেপ্তার ১০, উদ্ধার ১

রোজা অবস্থায় কি দাঁত ব্রাশ করা যাবে?

রিপোর্টারের নাম / ৬৭ টাইম ভিউ
আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৩ পূর্বাহ্ন

প্রশ্ন: রোজা অবস্থায় কি দাঁত ব্রাশ করা যাবে? এতে কি রোজা নষ্ট হয়ে যাবে?

উত্তর: রোজা অবস্থায় টুথপেস্ট বা মাজন দিয়ে দাঁত ব্রাশ করা মাকরূহ। আর পেস্ট বা মাজন গলার ভেতর চলে গেলে রোজাই নষ্ট হয়ে যাবে। তাই রোজা অবস্থায় টুথপেস্ট বা মাজন ব্যবহার করা যাবে না। টুথপেস্ট বা মাজন দিয়ে ব্রাশ করতে হলে সেহরির সময় শেষ হওয়ার আগেই করে নিবে।

ইসলামি চিন্তাবিদরা বলছেন, দাঁত ব্রাশ করলে রোজা ভাঙে না। তবে ব্রাশ করার সময় সতর্ক থাকতে হবে যেন পেস্ট পেটে চলে না যায়। ভুল করে পেস্ট যদি পেটে চলে যায় তাহলে কিন্তু রোজা নষ্ট হয়ে যাবে।

এছাড়াও কেউ কেউ বলেছেন, টুথপেস্ট দিয়ে ব্রাশ করলে রোজা মকরুহ হয়ে যায়। তবে, ভেঙে যায় এমনটা কেউই বলেননি।

ইসলামি চিন্তাবিদদের পরামর্শ অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো পদক্ষেপ হচ্ছে, গাছের সরু ডাল থেকে তৈরি মিসওয়াক বা দাঁতন ব্যবহার।

সুনানে আবু দাউদে যায়েদ বিন খালেদ আলজুহানী (রা.) বরাতে এক হাদিসে তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.) কে বলতে শুনেছি—আমার উম্মতের জন্য কষ্টের আশঙ্কা না হলে তাদের ওপর মিসওয়াককে প্রতি নামাজের জন্য ফরজ করে দিতাম।

এজন্য যদি ব্রাশ করতেই হয় তাহলে সবচেয়ে ভালো হয়, সাহরি শেষে পেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করা, আবার ইফতারের পরও দাঁত ব্রাশ করা যায়। আর দিনের বেলা মিসওয়াক ব্যবহার করা।

আমাদের মহানবী (সা.) মিসওয়াক ব্যবহার করতেন। আমরাও মিসওয়াক ব্যবহার করতে পারি। তাতে আমার রোজা নিয়ে কোনো প্রশ্নও উঠবে না, উলটো সুন্নত আদায় হয়ে যাবে। তাছাড়া, মিসওয়াক করে নামাজ পড়লে তা উত্তম। রাসুল (সা.) প্রতি ওয়াক্ত নামাজের আগে মিসওয়াক করতেন।

সূত্র: ইমদাদুল ফাতাওয়া ২/১৪১; জাওয়াহিরুল ফিকহ ৩/৫১৮


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *