বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
 মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে দেখে পালালেন প্রধান শিক্ষক : নিষিদ্ধ গাইড বই ও প্রশ্নপত্র জব্দ আধুনিক ও টেকসই কৃষি উন্নয়ণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, অধ্যক্ষ মশিউর রহমান এমপি চিতলমারীতে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল: পূর্ণাঙ্গ কমিটিই একমাত্র সমাধান চিতলমারীতে প্রতিবন্ধীদের সহায়তায় হুইল চেয়ার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের অপতৎপরতার প্রতিবাদে বিএনপির ৫ সংগঠনের মিছিল “বিদ্যুৎবিল পরিশোধের জন্য জরুরী ঘোষনা” চিতলমারীতে ৫ দিনব্যাপী কাব স্কাউটস বেসিক কোর্স সম্পন্ন চিতলমারীতে জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন চিতলমারীতে পুলিশের বড় অভিযান: গ্রেপ্তার ১০, উদ্ধার ১

চিতলমারীতে জালিয়াতীর মাধ্যমে জমি বিক্রয় : দাতার বিরুদ্ধে অভিযোগ।

রিপোর্টারের নাম / ৫৭১ টাইম ভিউ
আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন

বিশেষ প্রতিনিধি:
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলা ভূমিদস্যু খ্যাত জয়দেব মন্ডল (৬০) ও তার আপন ভ্রাতা সমীর মন্ডল (৫৫) এর বিরুদ্ধে বিক্রিত জমির দলিল জালিয়াতীর অভিযোগ উঠেছে। জয়দেব ও সমীর মন্ডল উপজেলার চৌদ্দহাজারী গ্রামের মৃত: সৃষ্টিধর মন্ডলে পুত্র। অভিযোগকারী উপজেলার চৌদ্দহাজারী গ্রামের মৃত: নওয়াব আলী শেখের ছেলে শহিদুল ইসলাম। শহীদুল ইসলাম “চিতলমারী প্রেসক্লাবে” প্রেরিত এক অভিযোগ পত্রে বলেন বিগত ৩০ জুন ২০১৬ তারিখ পাওয়ার নামা মুলে প্রাপ্ত একটি দলিলের ৩৫ শতাংশ বসতভিটা চিতলমারী সাব রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল নং ৬০৭ এর অনুকুলে জয়দেব ও সমীর মন্ডল দুই ভাই দাতা হিসেবে আমাকে একটি দলিল সম্পন্ন করে দেন। পরে ঐ দলিল নিয়ে যখন চিতলমারী এসিল্যান্ড অফিসে নামজারী করাতে যাই, তখন অফিস থেকে আমাকে জানানো হয় দলিলটি তঞ্চকতাপূর্ণ-এটা সঠিক নয়।
উক্ত জমির প্রকৃত ওয়ারেশ গনের কাছ থেকে পাওয়ার নামা না নিয়ে সৃজিত পাওয়ার নামা মুলে এবং দাতা সেজে আপনাকে জমির দলিল সম্পন্ন করা হয়েছে, ফলে নামজারী করা সম্ভব নয়।
এই ঘটনাটি শহিদুল ইলাম দাতাদের অবগত করেন। এসময় জয়দেব ও সমীর মন্ডল ভুল স্বীকার করেন এবং তারা দলিলটি পুণরায় সংশোধন করে দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু আজ দেয়-কাল দেয়, এভাবে দীর্ঘদিন কাল ক্ষেপন করতে থাকেন। অবশেষে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে একটি শালিস বৈঠক হয়। বৈঠকের পর দ্বিতীয়বার অর্থাৎ বিগত ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সালে পুনরায় শহীদুলকে ৩৫ শতাংশ বাস্তবাড়ী দলিল সম্পন্ন করে দেন।
সেখানেও ঐ দাতাগণ জালিয়াতীর আশ্রায় নেন। যে কারনে দীর্ঘ ৯ বছরেও তিনি জমির নামজারী করতে পারেনি। গ্রহীতা শহিদুল ইলাম এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের অশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ঘটনা সংক্রন্তে জানতে জয়দেব মন্ডল ও তার ভ্রাতা সমীর মন্ডলকে মুঠো ফোনে বার-বার চেষ্টা করেও তাদের বক্তব্য পাওয়া জায়নি।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *