বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
 মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে দেখে পালালেন প্রধান শিক্ষক : নিষিদ্ধ গাইড বই ও প্রশ্নপত্র জব্দ আধুনিক ও টেকসই কৃষি উন্নয়ণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, অধ্যক্ষ মশিউর রহমান এমপি চিতলমারীতে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল: পূর্ণাঙ্গ কমিটিই একমাত্র সমাধান চিতলমারীতে প্রতিবন্ধীদের সহায়তায় হুইল চেয়ার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের অপতৎপরতার প্রতিবাদে বিএনপির ৫ সংগঠনের মিছিল “বিদ্যুৎবিল পরিশোধের জন্য জরুরী ঘোষনা” চিতলমারীতে ৫ দিনব্যাপী কাব স্কাউটস বেসিক কোর্স সম্পন্ন চিতলমারীতে জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন চিতলমারীতে পুলিশের বড় অভিযান: গ্রেপ্তার ১০, উদ্ধার ১

চিতলমারীতে  ওরা ছিলো নৌকার ব্যালট  কাটা সাংবাদিক

রিপোর্টারের নাম / ২১৯ টাইম ভিউ
আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন

চিতলমারীতে  ওরা ছিলো নৌকার ব্যালট  কাটা সাংবাদিক
অন্তরালে ডেক্স:
স্বৈরাচার শেখ হাসিনার শাসন আমলে চিতলমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ভারতের “র” পীযূষ কান্তি রায়ের অতি উৎসায়ী সাংবাদিক হিসাবে যারা উপজেলায় সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সুযোগ-সুভিধা গ্রহন ও আধিপত্য বিস্তারে ব্যস্ত ছিলেন তারা প্রকৃত সাংবাদিক নয়। তারা ৫আগষ্ট পুর্ববর্তী (বর্তমান পলাতক) শেখ হাসিনার নিশি রাতের নৌকার ব্যালট কাটা সাংবাদিক।
এরা বিগত ১৭ বছর ধরে ভিন্নমতের সাংবাদিকদের দমন-পীড়নসহ সব ধরনের ক্ষতি করেছে। এই উপজেলায় শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই শেখ হেলাল উদ্দীন এমপির প্রতিনিধি ছিলেন পীযূষ কান্তি রায়। এই পীযূষ কান্তি রায় এবং আওয়ামী লীগের কট্ররপহ্নি নেতাদের হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন এখান কার শতশত বিএনপি নেতাকর্মী। বাদ যায়নি ভিন্নমতের সাংবাদিকরা। আর সব কিছুরু নাটের গুরু ছিলেন কট্ররপিহ্ন হিন্দুত্ববাদী ভারতের “র” পীযূষ কান্তি রায়। তিনি বিএনপি নিধনের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতেন। তার ষড়যন্ত্রের শিকার ভিন্নমতের সাংবাদিকরাও ঘরে ঘুমোতে পারেনি। আমার দেশ পত্রিকার চিতলমারী প্রতিনিধি একরামুল হক মুন্সী দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে পরিস্থিতির শিকার। এছাড়া বিরোধিদের জঙ্গী ও মৌলবাদীর তকমা লাগাতেন এবং জিয়া পরিবারের প্রতি কঠোর সমোলচনা করতেন পীযূষ কান্তি রায়।
শেখ হাসিনার এজেন্ডা বাস্তবায়নে বিগত দিন গুলোয় ভিন্ন মতের সাংবাদিকদের দমনে দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় আওয়ামী পহ্নি সাংবাদিকদের কাজে লাগিয়ে “ডিজিটাল নিরাপত্তা” আইনে শত-শত সাজানো মিথ্যা মামলা দিয়ে ঘর ছাড়া করা হতো। তারই ধারাবাহিকতায় বাগেরহাটের চিতলমারী প্রেসক্লাব সভাপতি ও আমারদেশ পত্রিকার চিতলমারী উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ একরামুল হক মুন্সীকে একাধিক মামলায় হয়রানি করা হয়। প্রেসক্লাবটি দখল করে নেয় যুব লীগের কতিপয় লোকজন।
এই সাংবাদিক নাম ধারিরা বিগত ১৭ বছর ধরে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে সরকারি সকল প্রকার সুযোগ সুভিধা গ্রহণ করেছে। পাশা-পাশি উপজেলা প্রকৌশলী দপ্তর, পাবলিক হেলথ, প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস,ইউএনও অফিস, উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স, উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিস, উপজেলা সমাজ সেবা অফিস, উপজেলা কৃষি অফিস, উপজেলা সাব রেজি: অফিস, উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসসহ রাস্তাঘাটে টেন্ডারবাজী, চাঁদাবাজী, বিজ্ঞাপন বানিজ্য,কোচিং বানিজ্য, আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘরের দালালীসহ এককছত্র কর্মকান্ডে জড়িত ছিলো। এমনকি উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটিসহ বিভিন্ন কমিটিতে ছিলো এদের একক সম্পৃত্ততা। এদের উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের আওয়ামী লীগ ও সহযোগি সংগঠনে যাদের সম্পৃত্ততা রয়েছে সে সকল কমিটি ও কর্মকান্ড অতি সিগ্রই প্রকাশ করা হবে।

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *