বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন

চিতলমারীতে আওয়ামী আমল নামা-১
অন্তরালে ডেক্সঃ
আওয়ামী স্বৈরাচার শেখ হাসিনার শাসন আমলে চিতলমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ভারতের “র” পীযূষ কান্তি রায়ের অতি উৎসায়ী সাংবাদিক হিসাবে যারা চিতলমারী উপজেলায় সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সুযোগ-সুভিধা গ্রহন ও আধিপত্য বিস্তারে ব্যস্ত ছিলেন তারা প্রকৃত সাংবাদিক নয়। তারা ৫আগষ্ট পুর্ববর্তী (বর্তমান পলাতক) শেখ হাসিনার নিশি রাতের পাতানো নির্বাচনের নৌকার ব্যালট কাটা সাংবাদিক।
বিগত ১৭টি বছর ধরে ভিন্নমতের সাংবাদিকদের নির্বাচন পর্যবেক্ষনের পরিচয়পত্র দিতেন না প্রশাসন। এই উপজেলায় শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই শেখ হেলাল উদ্দীন এমপির প্রতিনিধি ছিলেন পীযূষ কান্তি রায়। এই পীযূষ কান্তি রায় এবং আওয়ামী লীগের কট্ররপহ্নি নেতাদের হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন এখান কার শতশত বিএনপি নেতাকর্মী এবং ভিন্নমতের সাংবাদিকরা। আরএসকল কাজের নাটের গুরু ছিলেন কট্ররপিহ্ন হিন্দুত্ববাদী ভারতের “র” পীযূষ কান্তি রায়। এই হিন্দু ভদ্রলোককে একজন তৈল মর্দনকারী ও সভিধা ভোগি একজন শেষ-মেশ শিক্ষাবিদের খাতায় নাম লেখিয়ে প্রথম কাতারে অবস্থান নিয়ে ছিলেন। কথিত ওই শিক্ষাবিদ রাজনৈতিক বক্তব্য যে মাঠে বা যে পরিবেশে উপস্থাপন করতেন, সেখানে ভিন্নমতের সাংবাদিকরা থাকলে রিতিমত আক্রমনক্ত ভাষা ব্যবহার করতেন; যার শিকার হয়েছেন সাংবাদিক একরামুল হক মুন্সী।
একইসাথে তিনি বিরোধিদের জঙ্গী ও মৌলবাদীর তকমা লাগাতেন এবং জিয়া পরিবারের প্রতি কঠোর সমোলচনা করতেন।
শেখ হাসিনার এজেন্ডা বাস্তবায়নে বিগত দিন গুলোয় ভিন্ন মতের সাংবাদিকদের দমনে দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় আওয়ামী পহ্নি সাংবাদিকদের কাজে লাগিয়ে “ডিজিটাল নিরাপত্তা” আইনে শত-শত সাজানো মিথ্যা মামলা দিয়েছেন আওয়ামী বাকশাল সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় বাগেরহাটের চিতলমারী প্রেসক্লাব সভাপতি ও আমারদেশ পত্রিকার চিতলমারী উপজেলা প্রতিনিধি মোঃ একরামুল হক মুন্সীও বাদ পড়েননি্লা ঐ মামলা থেকে। প্রেসক্লাব ও দখল করে নেয় ওরা।
বিগত ১৭ বছর ধরে ওরা ভিন্নমত সাংবাকি,রাজ নৈতিক, সাংস্কৃতিক ও সুশীল সমাজের মানুষের উপর স্টীমরোলার চালিয়েছে। ওরা প্রতিটি সেক্টর যেমন, উপজেলা প্রকৌশলী দপ্তর, পাবলিক হেলথ, প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস,ইউএনও অফিস, উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স, উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিস, উপজেলা সমাজ সেবা অফিস, উপজেলা কৃষি অফিস, উপজেলা সাব রেজি: অফিস, উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসসহ রাস্তাঘাটে টেন্ডারবাজী, চাঁদাবাজী, বিজ্ঞাপন বানিজ্য,কোচিং বানিজ্য, আশ্রায়ন প্রকল্পের ঘরের দালালীসহ এককছত্র কর্মকান্ডে জড়িত ছিলো। এমনকি উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটিসহ বিভিন্ন কমিটিতে ছিলো এদের একক সম্পৃত্ততা। উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগি সংগঠনে যাদের সম্পৃত্ততা রয়েছে সে সকল কমিটি ও কর্মকান্ড প্রয়োজনে প্রকাশ করা হবে। আর ব্যবস্থা নেবেন প্রশাসন এটাই প্রত্যাশা ভূক্তভোগি মানুষের।