বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
 মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে দেখে পালালেন প্রধান শিক্ষক : নিষিদ্ধ গাইড বই ও প্রশ্নপত্র জব্দ আধুনিক ও টেকসই কৃষি উন্নয়ণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, অধ্যক্ষ মশিউর রহমান এমপি চিতলমারীতে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল: পূর্ণাঙ্গ কমিটিই একমাত্র সমাধান চিতলমারীতে প্রতিবন্ধীদের সহায়তায় হুইল চেয়ার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের অপতৎপরতার প্রতিবাদে বিএনপির ৫ সংগঠনের মিছিল “বিদ্যুৎবিল পরিশোধের জন্য জরুরী ঘোষনা” চিতলমারীতে ৫ দিনব্যাপী কাব স্কাউটস বেসিক কোর্স সম্পন্ন চিতলমারীতে জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন চিতলমারীতে পুলিশের বড় অভিযান: গ্রেপ্তার ১০, উদ্ধার ১

           প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ

রিপোর্টারের নাম / ১৯৯ টাইম ভিউ
আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন

 

                                   

প্রেস বিজ্ঞপ্তি :গত ১০ ও ১১ আগষ্ট ২০২৫ খ্রিঃ বিভিন্ন অনলাইন, প্রিন্ট পত্রিকা ও অনলাইন টিভিতে “চিতলমারী রহমতপুর ফাজিলা মাদ্রাসার অধ্যক্ষের অনিয়ম-দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানবন্ধন” শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি দৃষ্টিগোচর  হয়েছে। মূলত অভ্যান্তরিন দরবার ভিত্তিক কলহ এবং স্থানীয় প্রভাবশালী লোকদের মনোনিত প্রার্থীকে সভাপতি না করায় প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য মাদ্রাসার বিদ্রোহী কিছু শিক্ষকদের নিয়ে হিংসাত্মকভাবে মানববন্ধন করে এ সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। উক্ত সংবাদে প্রকাশ করা হয়েছে যে বিগত সরকারের প্রভাব খাটিয়ে অধ্যক্ষ হয়েছে, যা একটা হাস্যকর বক্তব্য। জনবল কাঠামো বিধি বিধান ছাড়া কোন শিক্ষকই কখনও এমপিও ভূক্ত হতে পারে না। উহার সকল বৈধ কাগজপত্র মাদ্রাসা অধিদপ্তর ও অফিসে জমা রয়েছে। অভিভাবকদের দাবীর পরীপ্রেক্ষিতে ছাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য আলাদা ক্যাম্পাস করা হয়েছে। যেখানে এটাস্ট বাথরুমের ব্যবস্থা আছে। মাদরাসার জমাজমি, ও লক্ষ টাকার গাছ কেটে নেওয়ার যে কথা উল্লেখ করা হয়েছে ওহা সম্পূর্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। প্রতি বছর মাদ্রাসার আয়-ব্যয় এর অডিট করান হয়। সমাজ সেবা অফিসের মাধ্যমে এতিমখানার আলাদা এডিট করানো হয়। যার রিপোর্ট মাদ্রাসায় রয়েছে। এছাড়া মাদ্রাসার বর্তমান অধ্যক্ষ দায়িত্ব গ্রহণ করার পর, এ পর্যন্ত পর্যায়ক্রমিক ভাবে মাদ্রাসার সভাপতি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকগন। তাই পকেট কমিটির যে কথা বলা হয়েছে তা ভিত্তিহীন ও মিথ্যাচার। রহমতপুর ফাজিল মাদ্রাসাটি মরহুম পীর সাহেব কেবলার প্রতিষ্ঠিত একটি মাদ্রাসা। এখানে তার ভক্তবৃন্দের মাধ্যমে বাৎসরিক দু’টি মাহফিল হয়। যেখানে দুইদিন ব্যাপী হাজার হাজার মানুষের ফ্রি খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। যা মরহুম হুজুরের ভক্তবৃন্দরাই দিয়ে থাকেন। এবং উদ্ধৃত্ত চাল ডাল সবই মাদ্রাসার লিল্লাহ বোর্ডিংয়ে ব্যয় করা হয়।

মূলত প্রতিহিংসা ও বিদ্বেষ বশত আমার ভাব মুর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য এ মানববন্ধন ও সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। আমি উহার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

শাহ মোহাম্মদ উল্লাহ, অধ্যক্ষ  রহমতপুর ফাজিল  মাদ্রাসা,চিতলমারী, বাগেরহাট।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *