বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন

চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আলকরা ইউনিয়নের কুলাসার গ্রামের ৮ টি মসজিদে ২০০ শিশু- কিশোর টানা ৪০ দিন ২০০, ওয়াক্ত জামায়াতে নামাজ আদায় প্রতিযোগীতায় অংশ গ্রহন করে এতে ৮ জন শিশু- কিশোর টানা ৪০ দিন ২০০ ওয়াক্ত জামাতের সাথে নামাজ আদায় করে ৮ টি বাইসাইকেল পুরস্কার অর্জন করেছে। এর সাথে আরো ১৪০ জন শিশু – কিশোরকে ব্যাগ ও খাতা কলম পুরস্কার প্রদান করেন, যারা ১ দুই ওয়াক্ত নামাজ জামায়াতে পড়তে পারে নাই।
শক্রবার (৩ অক্টোবর) সাকালে কুলাসার মাদ্রাসা মাঠে এই উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মাওলানা কাজী মহি উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও আলাউদ্দিন নিশাদের সঞ্চালনা অতিথি ছিলেন দেশের শীর্ষ স্হানীয় ওষুধ কোম্পানি বায়োফার্মার লি এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডাক্তার লকিয়ত উল্ল্যা মিলন।
বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সৈয়দ একরামুল হক হারুন। ।ফুলগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিভিল সার্জন ডাক্তার গোলাম কিবরিয়া টিপু। সাবেক প্রফেসর মোস্তফা কামাল। আলকরা ইউনিয়ন জামাত ইসলামের আমীর মাওলানা কুতুব উদ্দিন।। শিবির পশ্চিম শাখা সভাপতি আবুল জাফর রাফি। পূর্ব শাখার সভাপতি মোঃ বায়ইজিদ। আযোজক কমিটির আহবায়ক মুজিবুল ইসলাম । বিশিষ্ট সাংবাদিক ও আইন সহায়তা কেন্দ্র আসক ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশনেরর সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান এ এফ এম রাসেল পাটোয়ারী,বলেন সমাজে শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা করতে হলে কোমল মতি শিশুদের কে ধমীয় শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা দিতে হবে।পরিবার সমাজ রাস্ট্র কে ভূমিকা রাখতে হবে।তা হলে সব সময় মানুষের মন মানসিকতা ঠিক থাকতে হবে।আমরা সিমান্তবতী এলাকায় হওয়ায় সহজে মাদকের সঙ্গে যুক্ত হওয়া সহজ হয়ে যায় ,তাই পরিবারকে সব সময় লক্ষ্য রাখতে হবে আপনার সন্তান কার সাথেচলা পেরা করে কোথায় জায় কি করে সব সময় নজরে রাখতে হবে।তিনি বলেন যে ভাবে গরিব অহসায় মানুষে সহযোগিতা করে আসছে আমাদের গ্রামের প্রবাসি নাসির উদ্দীন সোহেল বাবু সে ভাবে সবাই যদি নিজ নিজ দায়িত্ব থেকে এগিয়ে আসে তা হলে সমাজে গরিব অহসায় মানুষ থাকবেনা বিনাচিকিৎসা মানুষ মারা যাবেনা তাই আপনার যা আছে তার একটি অংশ নিয়ে এগিয়ে আসুন আমি শারিরিক ভাবে আপনাদের পাশে থাকবো।মাসুদা টাস্ট্র যে ভাবে কাজ করছে। আপনার আপনার প্রিয় মা বাবার নামে সংগঠন করে হলেও মানবতার কাজে এগিয়ে আসুন।সাবেক ছাত্রনেতা জাহিদুল হক ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন মাস্টার খাজা মাইনুদ্দিন সবুজ। ধোপাখিলা উচ্চ বিদ্যালয় এর সাবেক সহকারি প্রধান শিক্ষক জাফর আহমেদ ভূঁইয়া ভূঁইয়া। আব্দুল হক। আবু সাঈমসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক মজিবুল ইসলাম জানান, শিশু-কিশোরদের মসজিদমুখী করতে ১০ থেকে ২০ বছর বয়সীদের মধ্যে ৪০ দিন জামাতে নামাজ পড়ার প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। ২০০ জন শিশু-কিশোর নামাজ আদায় শুরু করে। চূড়ান্ত পর্বে ৮জন প্রতিযোগী বিজয়ী হয়ে বাইসাইকেল পুরস্কার অর্জন করেন। তিনি আরো বলেন মসজিদ ভিত্তিক ১০ প্রতিযোগী ৪০ দিনে মাত্র ১ ওয়াক্ত নামাজে অনুপস্থিত ছিল, তাদের জন্য ব্যাক, খাতা – কলম উপহারের ব্যবস্থা করেছি। এ ধরনের আরও ধর্মীয় প্রতিযোগিতা ভবিষ্যতে অব্যাহত রাখা হবে।
আয়োজক কমিটির সদস্যরা জানান, গ্রামের শিশুরা যাতে মসজিদমুখী হয়, নামাজের গুরুত্ব বোঝে এবং আল্লাহর হুকুম-আহকামসহ সমাজের পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ প্রতিষ্ঠা করতে পারে সেজন্য এ আয়োজন।অতিথিদের মধ্যে বায়ো ফার্মা লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডাক্তার লকিয়ত উল্লাহ মিলন বলেন মুসলমানদের জন্য নামাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মহান আল্লাহ তায়ালা কুরআনে নামাজের কথা ৮২ বার বলেছেন,,এবং আল্লাহ তা’আলা নামাজকে প্রতিষ্ঠিত করতে বলেছেন ।।
প্রতিযোগিতায় শর্ত ছিল- স্থানীয় শিশু-কিশোরদের ওই মসজিদে জামাতের সঙ্গে টানা ৪১ দিন ধারাবাহিকভাবে নামাজ আদায় করতে হবে। প্রতি ওয়াক্তে ইমাম তাদের হাজিরা গণনা করবেন। পুরস্কারপ্রাপ্ত মো. ফাহাদ খাঁন ও সাজেদুল ইসলাম জানান, ৪০ দিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এখন মসজিদ ছাড়া নামাজ পড়তে ভালো লাগে না। শুরুতে পুরস্কারের আশায় নামাজে এলেও এখন মন থেকে মসজিদে এসে নামাজ পড়তে ইচ্ছে করে।
কুলাসার পুরাতন জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আবুল হোসেন বলেন , এ প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে মসজিদে ভরপুর মুসল্লির উপস্থিতি ছিল, প্রতিযোগীদের সঙ্গে তাদের অভিভাবকও নামাজ পড়তে আসতেন। বিজয়ী শিশুর মতো সমাজের আরও শিশুদেরকে প্রকৃত নামাজি ও চরিত্র গঠনের জন্য ভবিষ্যতে আরও উদ্যোগ নেওয়া হবে।