বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
 মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে দেখে পালালেন প্রধান শিক্ষক : নিষিদ্ধ গাইড বই ও প্রশ্নপত্র জব্দ আধুনিক ও টেকসই কৃষি উন্নয়ণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, অধ্যক্ষ মশিউর রহমান এমপি চিতলমারীতে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল: পূর্ণাঙ্গ কমিটিই একমাত্র সমাধান চিতলমারীতে প্রতিবন্ধীদের সহায়তায় হুইল চেয়ার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের অপতৎপরতার প্রতিবাদে বিএনপির ৫ সংগঠনের মিছিল “বিদ্যুৎবিল পরিশোধের জন্য জরুরী ঘোষনা” চিতলমারীতে ৫ দিনব্যাপী কাব স্কাউটস বেসিক কোর্স সম্পন্ন চিতলমারীতে জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন চিতলমারীতে পুলিশের বড় অভিযান: গ্রেপ্তার ১০, উদ্ধার ১

ডিসি’র বডিগার্ড কে ‘ম্যানেজ করে’ চলছে সারাদেশে ক্যাসিনো নামের জুয়ার আসর!

‎নিজস্ব প্রতিবেদক: / ৫২ টাইম ভিউ
আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন

৫ আগস্ট ২০২৪ পরে আবারো বিশাল আয়োজনে শুরু হয়েছে ক্যাসিনো নামের জুয়ার আসর। আসরে প্রতিদিন খেলা হচ্ছে ৮০ লাখ থেকে কোটি টাকার জুয়া। সিরাজগঞ্জের মোঃ রিদুয়ান সরকার (৩০)। পিতা মোঃ মতিন সরকার, মাতা মোছাঃ রোকেয়া বেগম।

সিরাজগঞ্জের মোঃ রিদুয়ান সরকার এই ক্যাসিনোর আয়োজক।সিরাজগঞ্জের নিজ বাড়ি হলেও সে এ সকল ক্যাসিনোর কার্যক্রম চালায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের আওতাধীন পাঁচলাইশ থানা এলাকার হিলভিউ আবাসিক থেকে নিয়ন্ত্রণ করে সবকিছু । জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামে এলাকায় বেড়েছে খুন, ছিনতাই ও মাদকের ব্যবহার।

ক্যাসিনো সম্রাট রিদুয়ান জানায় উপ পুলিশ কমিশনার সিএমপি উত্তর বিভাগ, চট্টগ্রাম ডিসি মহোদয় এর বডিগার্ড আমির আমার মামা। তাদেরকে ম্যানেজ করেই চালানো হয় এই ক্যাসিনো নামে ওই জুয়ার আসর।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় দেশের বিভিন্ন স্থানে এক যুগে অনলাইনে বসে এই আসর। বাংলাদেশে এই ক্যাসিনো সম্রাট রিদুয়ান একমাত্র সরাসরি এবং অনলাইনের এজেন্ট হিসেবে কাজ করে।

ক্যাসিনো পরিচালনাকারী এজেন্টরা বিভিন্ন স্থানে একত্রিত হলে সেখান থেকে নিরাপত্তা দিয়ে তাদের নেওয়া হয়। অর্ধশতাধিক যুবক নিরাপত্তায় পাহারায় থাকে। প্রতিদিন ৮০ লাখ থেকে এক কোটি টাকার খেলা হয় ক্যাসিনোতে। এই টাকার একটি অংশ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্য ও স্থানীয় বিএনপির নেতারা পান।

আসর পরিচালনা করেন ক্যাসিনো সম্রাট রিদুয়ান । ক্যাসিনোর কার্যক্রম চালায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের আওতাধীন পাঁচলাইশ থানা এলাকার হিলভিউ আবাসিক থেকে। চার আয়োজকের নামে দেশের বিভিন্ন থানায় অবৈধভাবে জুয়ার আসর পরিচালনার অভিযোগে রয়েছে বলে জানা যায়। তাদের নাম জানা যায়নি।

এলাকার বাসিন্দা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন, শত শত লোক জুয়া খেলতে অনলাইনের মাধ্যমে, চায়ের দোকান প্লেট বাসা ভাড়া নিয়ে চলে এ সকল জোয়ার আসর। অনেকে দামি গাড়ি, মাইক্রোবাস রিজার্ভ করেও আসে। মাঝেমধ্যে সিলেট চা-বাগান এলাকায় বসে এ আসর। এই জুয়ার কারনে চট্টগ্রাম এলাকায় চুরি-ছিনতাই বেড়ে গেছে। জুয়ার আসর বসার পর এখন পর্যন্ত জুয়া বন্ধ হয়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিশ্চুপ। নেই কোন দৃশ্যমান পদক্ষেপ।

জানতে চাইলে জুয়ার আসর পরিচালনাকারী ক্যাসিনো সম্রাট রিদুয়ান বলেন, ‘ক্যাসিনো পরিচালনার অনুমতি নেই, তবে উপ পুলিশ কমিশনার সিএমপি উত্তর বিভাগ, চট্টগ্রাম ডিসি মহোদয়কে তাহার বডিগার্ড আমির আমার মামা হওয়ায় পুলিশকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ম্যানেজ করে ক্যাসিনো চালানো হচ্ছে। ক্যাশ, নগদ,বিকাশ নম্বরের গোপনীয়তা রক্ষা করে তাঁদের জন্য প্রতিদিন টাকা পাঠানো হয়। এটা জুয়া নয়, বিনোদন। পৃথিবীর সব উন্নত দেশে বিনোদনের জন্য এটি খেলা হয়ে থাকে।’

স্থানীয়রা মনে করেন অভিযান চালানোর জন্য বাড়তি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্য প্রয়োজন।

এসব কার্যকলাপে ধ্বংস হচ্ছে স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীসহ যুবসমাজ। এর প্রতিকার কোথায়? আতঙ্কে চট্টগ্রাম নগরবাসী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *