বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
সাংবাদিক পুত্র প্রিতমকে নরসিংদী থেকে উদ্ধার-প্রশাসন ও গনমাধ্যমকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ চিতলমারীতে প্রাইভেট পড়তে গিয়ে সাংবাদিকপুত্রের নিখোঁজ, সন্ধানের আকুতি চিতলমারীতে ডিভোর্সি স্বামীর হত্যা চেষ্টা: অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন এক নারী চিতলমারীতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত চিতলমারী হাসিনা বেগম মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের নবগঠিত ব্যবস্থাপনা কমিটিকে সংবর্ধনা প্রদান চিতলমারীতে দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা স্মৃতির আলো-ছায়ায় এক জীবন: এক লড়াকু সাংবাদিকের আত্মকাহিনি বাগেরহাটে ইসলামী মহাসম্মেলন ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি, নেতৃত্বে মাওলানা মাহফুজুর রহমান ট্রাম্পের নৈশ ভোজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ফাস্ট লেডি ডা. জুবাইদা রহমান চিতলমারীতে হেলমেট মাথায় পরে অফিসে প্রশাসনিক কর্মকর্তা

দোয়ার অনুষ্ঠানের কথা বলে জামায়াত নেতাদের প্রতারণা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ

রিপোর্টারের নাম / ৩১৭ টাইম ভিউ
আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন

চিতলমারী (বাগেরহাট) প্রতিনিধি:
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার উত্তর কাটিপাড়া মাদ্রাসার মোহতামিম ও মসজিদের ইমাম হাফেজ মোস্তাফিজুর রহমানকে দোয়ার অনুষ্ঠানের কথা বলে ডেকে নিয়ে গিয়ে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার অভিযোগ উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তিনি ও তার অনুসারীরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। হাফেজ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গত কয়েকদিন আগে পাশ্ববর্তী একটি গ্রামে অফিস উদ্বোধন উপলক্ষে দোয়ার অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা বলে একজন ব্যক্তি তাকে ডেকে নেন।
সন্ধ্যার দিকে অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পর তিনি সেখানে উপস্থিত হন।বক্তব্য শেষে হঠাৎ করে ঘোষণা দেওয়া হয় যে, সেখানে কয়েকজন জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করছেন। প্রথমে একজনের নাম ঘোষণা করে তাকে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করা হয়। পরে দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে হাফেজ মোস্তাফিজুর রহমানের নাম ঘোষণা করা হলে, কোনো ধরনের পূর্বানুমতি ছাড়াই একজন তার হাত ধরে সামনে নিয়ে গলায় ফুলের মালা পরিয়ে দেন।
তিনি বলেন, “এই ঘটনার কোনো কিছুই আমার জানা ছিল না। বিষয়টি বুঝতে পেরে একপর্যায়ে আমি সেখান থেকে চলে আসি। পরবর্তীতে এ ঘটনাকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে একাধিক মিডিয়া ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।” হাফেজ মোস্তাফিজুর রহমান আরও বলেন, তিনি দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (চরমোনাই পীরের অনুসারী) এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করা ও তার সম্মান ক্ষুণ্ন করাই ছিল তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, “আমার অজ্ঞাতসারে, দোয়ার অনুষ্ঠানের কথা বলে ডেকে নিয়ে এভাবে দলে যোগদানের নাটক সাজানো হয়েছে। এখন তার চাকুরী বাঁচানো দায় হয়ে পড়েছে বলেও উল্লেখ করেন। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি ও তার অনুসারীরা বলেন, মানুষের বিশ্বাস নিয়ে এভাবে ছলচাতুরী করা থেকে বিরত থাকতে হবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, “ এই দলটি এখনো ক্ষমতায় যাওয়ার পুর্বে যদি এমনটি কওে তবে ক্ষমতায় গেলে কি করবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *