বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
 মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে দেখে পালালেন প্রধান শিক্ষক : নিষিদ্ধ গাইড বই ও প্রশ্নপত্র জব্দ আধুনিক ও টেকসই কৃষি উন্নয়ণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, অধ্যক্ষ মশিউর রহমান এমপি চিতলমারীতে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল: পূর্ণাঙ্গ কমিটিই একমাত্র সমাধান চিতলমারীতে প্রতিবন্ধীদের সহায়তায় হুইল চেয়ার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের অপতৎপরতার প্রতিবাদে বিএনপির ৫ সংগঠনের মিছিল “বিদ্যুৎবিল পরিশোধের জন্য জরুরী ঘোষনা” চিতলমারীতে ৫ দিনব্যাপী কাব স্কাউটস বেসিক কোর্স সম্পন্ন চিতলমারীতে জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন চিতলমারীতে পুলিশের বড় অভিযান: গ্রেপ্তার ১০, উদ্ধার ১

শাপলা বিক্রি অর্থে অনার্সসহ দুই মেয়ের পড়ার খরজ চালান সুশেন মন্ডল

রিপোর্টারের নাম / ৩২২ টাইম ভিউ
আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন

মোঃ একরামুল হক মুন্সী:
কাঠফাটা রোদ কিংবা মুষল ধারে বৃষ্টি বিলে গিয়ে শাপলা তাকে তুলতেই হবে। তা না হলে সংসার চলবে কি করে? বৃষ্টির মৌসুমে বিলের শাপলা তাদের অন্ন যোগায়, অন্যদিকে সন্তানদের পড়া-লেখার খরজ চালাতে হয়। দুই মেয়ে একজনের অনার্স শেষের দিকে, আপরজন এইস,এসসি পড়ছে। তাদের প্রতি মাসে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা খরজের পাশা-পাশি রুটি-রুজিতো আছেই। একথা বলছিলেন বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার সীমান্তবর্তী মধুমতির অপর প্রান্তের পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার মিঠারকুল গ্রামের সুশেন মন্ডল (৫৫)।
সুশেন চিতলমারী উপজেলার বাখেরগঞ্জ বাজারে শাপলা বিক্রিকালিন সময় এ প্রতিবেদকের কথা হয়। তিনি জানান ডাকডাকা ভোরে প্রতিনিয়ত নৌকা নিয়ে স্থানীয় বাসবাড়িয়া বিলে শাপলা তুলতেযান। বর্ষা মৌসুমে শাপলা বিক্রি করেই চলে তার সংসার। চলে দুই কলেজ শিক্ষার্থী মেয়ের পড়া-লেখা। শুখনা মৌসুমে মাছ বিক্রিসহ নানাকাজের মধ্যে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন তিনি।
এ সময় তার পাশে থাকা বাসবাড়িয়া গ্রামের শাপলা বিক্রেতা শাহীন শেখ (২৩) জানান, তিনি বিল থেকে তুলে আনা শাপলা পাইকারী দরে কিনে আনেন এবং তা বিভিন্ন হাট বাজারে বিক্রি করেন। এর থেকে মুনফা আসে তাদিয়ে পরিবারের কিছুটা খরজ চলে যায়।
বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার দেপাড়া গ্রামের ইয়াসিনএস্কেন( ২২) বলেন, নৌকা নেই তাই শাপলা তুলতে পারিনা। পাইকারী কিনে হাট-বাজারে বিক্রি করি, যা কিছু লাভ হয় আলাহামদুলিল্লাহ।
বাখেরগঞ্জ হাটের ইজারাদার শেখ মুজিবর এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি এদের কাছে খাজনার টাকা চেয়ে নেইনা। ওরা যা কিছুদেয় তাতেই খুশি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *