বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
 মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে দেখে পালালেন প্রধান শিক্ষক : নিষিদ্ধ গাইড বই ও প্রশ্নপত্র জব্দ আধুনিক ও টেকসই কৃষি উন্নয়ণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, অধ্যক্ষ মশিউর রহমান এমপি চিতলমারীতে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল: পূর্ণাঙ্গ কমিটিই একমাত্র সমাধান চিতলমারীতে প্রতিবন্ধীদের সহায়তায় হুইল চেয়ার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের অপতৎপরতার প্রতিবাদে বিএনপির ৫ সংগঠনের মিছিল “বিদ্যুৎবিল পরিশোধের জন্য জরুরী ঘোষনা” চিতলমারীতে ৫ দিনব্যাপী কাব স্কাউটস বেসিক কোর্স সম্পন্ন চিতলমারীতে জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন চিতলমারীতে পুলিশের বড় অভিযান: গ্রেপ্তার ১০, উদ্ধার ১

চিতলমারীতে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে

রিপোর্টারের নাম / ১৬৭ টাইম ভিউ
আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন

মো: একরামুল হক মুন্সী:

বাগেরহাটের চিতলমারী সদর উপজেলা ও তার পাশ্ববর্তী গ্রামগুলোয় বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। দলবদ্ধ এই কুকুরগুলোর আতঙ্কে রাস্তা-ঘাটে চলাচল করতে সতর্কতা অবলম্বন করা হলেও রেহাই পাওয়া যাচ্ছেনা। চিতলমারী সদর বাজারের পাদুকা ব্যবসায়ী শাহাদাৎ হোসেন বুলু জানান সদর পান বাজারের কাছ থেকে হেটে যাওয়া ৭০অধিক বয়সের এক সনাতন ধর্মাবলম্বীবৃদ্ধকে তার সামনে দলবদ্ধ থাকা একটা কুকুর আকস্মিক দৌড়ে গিয়ে পায়ে কামড়  দেয়। এ সময় তাকে রক্তাত্ত অবস্থায় হাসপাতালে পাঠানো হয়।

সদর বাজারের মোবাইল সার্ভিসিং মেকার সোহাগ হোসেন জানান কুরাল তলা গ্রামের ব্রিজের পাশে একটা ছাগলকে ঘিরে ধরে সমস্ত গায়ে কামড়িয়ে ক্ষত-বিক্ষত করেছে দলগত কয়েকটি কুকুর। শিবপুর গ্রামের কেরামত শেখ জানান তার বাড়ীর কাছে একটা ছাগলের দুই মাসের বাচ্চা পেটে এ অবস্থায় ছাগলটাকে কয়েক টি কুকুরে কামড়িয়ে গুরুতর আহত করে।

এছাড়া হাস-মুরগি ধরে নেয়া সহ শিশুদের ও বিভিন্ন বয়সের লোকজনকে কামড়াতে ধাওয়া করছে বলে জানা গেছে।

এ ব্যপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাজ্জাদ হোসেনের সাথে কথা হলে তিনি জানান, বে-অরিশ কুকুরে কামড় দিলে জলাতঙ্করোগের সম্ভাবনা থাকে। ঘটনাটি শুনেছি, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে দিয়ে কুকুরগুলোকে ভ্যাকসিন দিতে ভ্যাকসিনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে ; তবে প্রয়োগ করার এক্সপার্ট পাওয়া যাচ্ছেনা। এটা রিক্সেরও ব্যাপার, দেখছি কি করা যায়।

উপজেলা প্রণিসম্পদ কর্মকর্তা আহমেদ ইকবাল বলেন, মূলত: বে-অরিশ কুকুর ধরার যন্ত্রপাতি আমাদের নেই। ওটা বণ বিভাগের কাজ। ধরে দিলে ভ্যাকসিন দেওয়ার পর চিহ্নীত করে ছেড়ে দেয়া হবে। কুকুরে কামড়ানো ছাগল,গরু, হাঁস-মুরগি প্রায়ই আসছে। আমরা সাধ্যমত সেবা দিয়ে চলছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *