বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০২:১৫ পূর্বাহ্ন

মো: একরামুল হক মুন্সী:
জীবনযুদ্ধে অনবদ্য এক ‘মা’ও তার দুই সন্তানের সংগ্রামী জীবন । গোয়ালে গরুনেই, কাছে অর্থনেই, তবুও ধানের চারা আগাম রোপন করতে হবে। নিজের কাঁধে লাঙ্গল-জোয়াল তুলে না নিলে হয়তো সারা বছর অনাহারে থাকতে হবে। কোনমতে কষ্ট-ক্লান্তি করে ১বিঘা জমি চাষাবাদ শেষ করতে পারলেই ঝামেলা যায়। আর সে কারনেই ছেলেদের নিয়ে লাঙ্গল- জোয়াল কাঁধে নিয়েছি। অনেক মানুষ দেখেছি কষ্টের মধ্যেদিয়ে সুখের নাগাল পায়, কিন্তু আমার পরিবারে সুখ আছে কিনা জানি না।
সুখ থাকলে কি বাচ্চা ছেলেদের নিয়ে হাল চাষ করতে হয় ?। ওদের বাবা অসুস্থ ; দুই ছেলের মধ্যে সুধাংশু বাড়ৈ (১৮) ও সজল বাড়ৈ (১৫)। এরা স্থানীয় চরবানিয়ারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়াশুনা করে। পরিবারের টানাপোড়েন আর অর্থাভাবে দুই ভাইকে পড়া লেখা করাতে হিমশিম খেতে হয়। কারো কাছে যদি কোন সহযোগিতা পাই চিরোকৃতজ্ঞ থাকবো।
নাম প্রকাশ না করা সর্তে বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার চর বানিয়ারি ইউনিয়নের উমোজুড়ি গ্রামের আশুতোষ মন্ডলের স্ত্রী (৪৫)। শনিবার বিকেল সাড়ে ৪ টার সময় “অন্তরালে” কে এ সকল কথা বলেন।
স্থানীয় কমলেশ চক্রবত্তী বলেন, আশুতোষ এর পরিবারকে নিয়ে আমরা গর্বকরি। তাদের দুই ছেলে রয়েছে, অভাবের কারনে ১ বিঘা জমি চাষাবাদ করতে যে অর্থ লাগে অনেক সময় সেটা জোগাড় করা তাদের পক্ষে অসম্ভব হয়ে যায়।
অপর দিকে স্থানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দুইছেলে পড়ালেখা করে। তাদেরকে খরচ চালাতে কষ্ট হয়। পরিবারটির সহযোগিতার জন্য সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।