বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
 মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে দেখে পালালেন প্রধান শিক্ষক : নিষিদ্ধ গাইড বই ও প্রশ্নপত্র জব্দ আধুনিক ও টেকসই কৃষি উন্নয়ণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, অধ্যক্ষ মশিউর রহমান এমপি চিতলমারীতে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল: পূর্ণাঙ্গ কমিটিই একমাত্র সমাধান চিতলমারীতে প্রতিবন্ধীদের সহায়তায় হুইল চেয়ার বিতরণ চিতলমারীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের অপতৎপরতার প্রতিবাদে বিএনপির ৫ সংগঠনের মিছিল “বিদ্যুৎবিল পরিশোধের জন্য জরুরী ঘোষনা” চিতলমারীতে ৫ দিনব্যাপী কাব স্কাউটস বেসিক কোর্স সম্পন্ন চিতলমারীতে জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন চিতলমারীতে পুলিশের বড় অভিযান: গ্রেপ্তার ১০, উদ্ধার ১

বাংলাদেশকে ‘প্রতিশোধের চক্র’ থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানালেন ভলকার তুর্ক

রিপোর্টারের নাম / ৭৫ টাইম ভিউ
আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন

গত বছর জুলাই-অগাস্টে আন্দোলনের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘন সংক্রান্ত রিপোর্ট নিয়ে জেনেভায় বুধবার আলোচনাকালে জাতিসংঘ মানবাধিকার হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক  বাংলাদেশকে ‘প্রতিশোধের চক্র’ থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

ভবিষ্যৎ স্থিতিশীলতা এবং মানবাধিকার রক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তুর্ক বলেন, বাংলাদেশের সামনে একটি ঐতিহাসিক সুযোগ এসেছে তার অতীত মোকাবিলা করে সত্য উদঘাটন এবং ক্ষত নিরাময় করার।

তিনি বলেন, দেশের যে প্রতিশোধের চক্র আমরা অতীতে দেখেছি, সেটা থেকে বেরিয়ে আসার এটা আসলেই একটা ঐতিহাসিক সুযোগ। জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার, আস্থা গড়ে তোলার জন্য কাজ করার।

তুর্ক ১২ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত রিপোর্টের সারমর্ম উল্লেখ করে বলেন, তাদের বিশ্বাস সাবেক সরকারের কর্মকর্তা, নিরাপত্তা এবং গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য এবং সাবেক ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত সহিংস ব্যক্তিরা গুরুতর, সংগঠিত এবং নিয়মমাফিক মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে যার মধ্যে ছিল শত শত বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, বেআইনিভাবে আটক এবং নির্যাতন

তবে তুর্ক বলেন, ৫ অগাস্ট-এর পর প্রতিশোধমূলক কর্মকাণ্ডও তারা নথিভুক্ত করেছে।

এই মানবাধিকার হাইকমিশনার বলেন, প্রতিবাদ বিক্ষোভ শেষ হবার পর, সাবেক ক্ষমতাসীন দলের সমর্থক, পুলিশ অফিসার এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ধর্মীয় গোষ্ঠীসহ সংখ্যালঘুদের ওপর গুরুতর প্রতিশোধের ঘটনা আমরা নথিভুক্ত করেছি।

জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার হাইকমিশনার সদস্য রাষ্ট্র এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তাদের রিপোর্টের তথ্য এবং সুপারিশ নিয়ে আলোচনার জন্য বৈঠকটি হয়, যার লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশে জবাবদিহিতা, ন্যায় বিচার এবং মানবাধিকার সংক্রান্ত সংস্কার এগিয়ে নেওয়া।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *