সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
সাংবাদিক পুত্র প্রিতমকে নরসিংদী থেকে উদ্ধার-প্রশাসন ও গনমাধ্যমকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ চিতলমারীতে প্রাইভেট পড়তে গিয়ে সাংবাদিকপুত্রের নিখোঁজ, সন্ধানের আকুতি চিতলমারীতে ডিভোর্সি স্বামীর হত্যা চেষ্টা: অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন এক নারী চিতলমারীতে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত চিতলমারী হাসিনা বেগম মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের নবগঠিত ব্যবস্থাপনা কমিটিকে সংবর্ধনা প্রদান চিতলমারীতে দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা স্মৃতির আলো-ছায়ায় এক জীবন: এক লড়াকু সাংবাদিকের আত্মকাহিনি বাগেরহাটে ইসলামী মহাসম্মেলন ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি, নেতৃত্বে মাওলানা মাহফুজুর রহমান ট্রাম্পের নৈশ ভোজে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ফাস্ট লেডি ডা. জুবাইদা রহমান চিতলমারীতে হেলমেট মাথায় পরে অফিসে প্রশাসনিক কর্মকর্তা

স্ত্রীর কিডনিতে জীবণ বাঁচিয়ে পর নারীর সাথে পরকীয়ায় ঘর বেঁধেছে পাষন্ড স্বামী!

রিপোর্টারের নাম / ৫৪৩ টাইম ভিউ
আপডেট সময়: সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৯ অপরাহ্ন

স্বামীকে বাঁচাতে নিজের কি*ডনি দিলেন স্ত্রী, সুস্থ হয়েই পরকীয়ায় জড়িয়ে তাকেই করলেন নির্যাতন
সাভারের মোহাম্মদ তারেককে বাঁচাতে নিজের কি*ডনি দেন স্ত্রী টুনি। অথচ সাত বছর পর সুস্থ হয়ে ওঠার পর সেই তারেকই আজ তার জীবনসঙ্গিনী টুনিকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি এক ডিভোর্সি নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে সংসার করছেন।
বিয়ের মাত্র দুই বছরের মাথায় টুনি জানতে পারেন, তার স্বামীর দুটি কি*ডনিই অচল হয়ে গেছে। বাঁচতে হলে তাকে নিয়মিত ডায়ালাইসিস করাতে হবে। এ সময় তাদের ঘর আলো করে এসেছে এক সন্তান। কঠিন এই সময়ে ভেঙে না পড়ে স্বামীর পাশে শক্তভাবে দাঁড়ান টুনি। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভারতে নিয়ে যান, নিজে বুটিকে চাকরি করেন, বিয়ের স্বর্ণ বিক্রি করেন, মায়ের পেনশনের টাকা কাজে লাগান। সবশেষে নিজের একটি কি*ডনি স্বামীকে দান করেন। কি*ডনি প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে তারেক নতুন জীবন ফিরে পান।
টুনি ভেবেছিলেন, তাদের কষ্টের দিন শেষ হলো। কিন্তু সুস্থ হওয়ার পর তারেক বদলে যেতে থাকেন। এক সময় জড়িয়ে পড়েন এক তালাকপ্রাপ্ত নারীর সঙ্গে পরকীয়ায়। এরপর শুরু হয় টুনির ওপর নির্যাতন। একপর্যায়ে তাকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেন তারেক।
বেদনার বিষয় হলো, চিকিৎসার সময় তারেকের পরিবারের সদস্যদের কি*ডনি ম্যাচ করলেও কেউ কি*ডনি দিতে রাজি হননি। একমাত্র স্ত্রী টুনিই নিজের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে তাকে বাঁচান। অথচ সেই টুনির সাথেই এত বড় বিশ্বাসঘাতকতা করলেন তারেক। মানুষ এতো জঘন্য হয় কি করে?
সংগ্রহ : অনলাইন ভার্সন:


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *